দেশের এই ক্রান্তিকালে অভিযোগের সবচে বড় তীর যখন রাজনৈতিক নেতাদের দিকে,কর্মীদের ভুলে নিজ স্বার্থ হাসিলের কিংবা নিজেকে আড়ালে রাখার, এমন বিপন্ন সময়ে যেনো উদাহরণ হয়েই সামনে এলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ।
রাঙামাটি বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী,যারা করোনার কারণে বিপন্ন ও অসহায় হয়ে পড়েছেন কাজ হারিয়ে,তাদের পাশে ঈদ উপহার নিয়ে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই বিএনপি নেতা।
শনিবার রাঙামাটি বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল,স্বেচ্ছাসেবকদল, জাসাস,ওলামা দল,শ্রমিকদল,তাঁতীদলসহ জাতীয়তাবাদী পরিবারের ২০০ নেতাকর্মীর হাতে মামুন তুলে দিয়েছেন ময়দা,নুডলস,লাচ্চা সেমাই,কুলসন সেমাই,গুড়োদুধ,মটর,চিনি ও সয়াবিন তেলসহ একটি করে প্যাকেট।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক আবু সাদাত সায়েম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, জেলা জাসাস’র সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেন,জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির,সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন সাকু।
অ্যাডভোকেট মামুনু রশীদ মামুন পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কমকে বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি আমাদের বিপন্ন হয়ে পড়া নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতে। আমার পক্ষে তো আর সবার পাশে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। আমাদের সব সামর্থ্যবান নেতারা যদি এগিয়ে আসেন,তবে আমাদের দু:সময়ের পরীক্ষিত বন্ধু,এসব নেতাকর্মীরা প্রাণে জোর পাবে,তারা উপলদ্ধি করবে, আমরা সত্যিই তাদের নেতা।’
অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন’র পিতা আলহাজ্ব নাজিমউদ্দিন আহমেদ ছিলেন রাঙামাটি বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ও পরে সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন শেষে সম্প্রতি ইন্তেকাল করেছেন। তিনি ১৯৯১ সালে রাঙামাটি জেলা থেকে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন। মামুনুর রশীদ মামুন রাঙামাটি সরকারি কলেজ,রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হয়ে ছাত্রদল থেকে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। বিশিষ্ট ঠিকাদার মামুন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থায় বর্তমানে নির্বাচিত সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি রেডক্রিসেন্ট,রোটার্যাক্ট ক্লাব,সাউথ রাঙামাটি সহ অসংখ্য সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথেও জড়িত আছেন।
