করোনা ভাইরাসের এই ক্রান্তিকালিন সময়ে নিজের দলের নেতাকর্মীদের একাংশের ভূমিকায় ক্ষুদ্ধ রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা। নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ামূলক স্ট্যাটাসে এই নেতা লিখেছেন-
‘যারা এই দূর্যোগ মুহূর্তে সহযোগিতা করার কথা,তারা আজ নিরব কেন? অথচ যখন রাংগামাটি থেকে বড় কোন নেতা আসলে তাদেরক বেশি সক্রিয় দেখা যায়।fb এবং ফোনে বড় বড় কথা বলে, আজকে তাদেরকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।আগামীতে তারা বড় বড় পদ পাওয়ার জন্য লোভ দেখানো পার্টি করে,তাদের কাজ থেকে সাবধান। তারা সংগঠনকে বিভ্রান্তিকরার জন্য সংগঠনকে নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। যখন দীপংকর তালুকদার মহোদয় আগমন ঘটে তখন তারা দেবদূতদের মত আবির্ভাব ঘটে এবং এমন ভাব দেখায় জুরাছড়ি আওয়ামী লীগ তারা ছাড়া অচল। যখন তিনি চলে যান তাদের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।জুরাছড়ি আওয়ামী লীগে নামে আওয়ামী লীগ সেজে ঘাপটি মেরে বসে আছে এবং সুবিধা আদায় করে পরে দলের স্বার্থপরিপন্থী হিসেবে সাংগঠনিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করে। শুধু তাই নয় তারা সংগঠনের নিবেদিত কর্মীদের ভূল পথে পরিচালিত করে করোনা ভাইরাসের মত সংগঠনকে আক্রান্ত করছেন। বর্তমানে এমন দুর্যোগের সময়ে এলাকার পাশে না দাঁড়িয়ে সংগঠনের কর্মীদের উজ্জীবিত না করে নিজ স্বার্থের জন্য তাদের ভুল পথে পরিচালিত করছে।কিন্তু সেইসব নাম মাত্র মুষ্টিমেয় আওয়ামীলীগ নেতাদের চক্রান্ত রুখে দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে থেকে দীপংকর তালুকদার এমপি মহোদয় ও মুসা মাতব্বর মহোদয়ের নেতৃত্বে প্রকৃত জুরাছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সুসংহত ও সুসংগঠিত ভাবে এলাকায় অবস্থান করে সাধ্যমত সাধারণ জনগণের পাশে অবস্থান করছে।’
