রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজার থেকে পাচার করার জন্য মজুদ করে রাখা চোরাই মাছ জব্দ করেছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব মাছ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাছের মধ্যে মা মাছের সংখ্যাই বেশি।
বিএফডিসি সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে কাপ্তাই হ্রদ থেকে অবৈধভাবে শিকার করা মাছ পাচারের জন্য মজুদ করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএফডিসি ও নৌ-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে রিজার্ভ বাজারের মহসিন কলোনীর একটি বাসা থেকে তালা ভেঙে এসব মাছ জব্দ করে। মুরগির গাড়ি করে মাছগুলো জেলার বাইরে পাচার করার জন্য মজুদ করে রাখা হয়। জব্দকৃত মাছের পরিমান দেড় মনের চেয়ে বেশি। বিএফডিসি ও নৌ-পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়।
জব্দকৃত মাছের মধ্যে রয়েছে-পাবদা, আইড়, রুই, কাতাল, কালি বাউশ, বোয়াল ও মিশালী মাছ। এর মধ্যে মা মাছের পরিমাণই বেশি। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটির উপ-ব্যবস্থাপক মোঃ জাহেদুল ইসলাম। এসময় মার্কেটিং অফিসার মাসুদ আলমসহ নৌ-পুলিশের সদস্যরা ছিলেন।

রাঙামাটি বিএফডিসি’র উপ-ব্যবস্থাপক মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, জব্দকৃত মাছগুলো নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার বন্ধের সময় কিছু চোরাকারবারি সিন্ডিকেট হ্রদ থেকে মা মাছ শিকার করে মুরগির গাড়িসহ বিভিন্নভাবে জেলার বাইরে পাচার করে। এতে করে হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রজনন ব্যাহত হয়। ইতোমধ্যে বেশ কিছু জাল, নৌকা ও মাছ জব্দ করা হয়েছে। এসব চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে বিএফডিসি’র অভিযান অব্যাহত থাকবে। শীঘ্রই চোরাকারবারিদের তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
