বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা বলেছেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১ বছরের বাস্তবতা আর বর্তমানের অবস্থা ভিন্ন। চিন্তার পরির্বতন হয়েছে। মানুষ চায় নিরাপত্তা। বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা সড়কে সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন সময়ে অঘটন ঘটিয়ে আসছে। এই সড়ক রক্তে লাল হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সরকারের উন্নয়ন, শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ের ধারাবাহিকতায় রক্ষা করতে হলে বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা সড়কের নিরাপত্তা জোরদার করা এখন সময়ের । তিনি বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় এসব কথা বলেন।
রবিবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বাঘাইছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা’র সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাইয়ুম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাগরিকা চাকমা, বাঘাইছড়ি পৌরসভার মেয়র মোঃ জাফর আলী, বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী হোসেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ
নূয়েন খীসা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ জয়নাল আবদীন, উপজেলা উপ-কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তোফায়েল আহাম্মদ, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আনন্দ মোহন পালিত, উপজেলা মাধ্যামিক শিক্ষা অফিসার নুর মোহাম্মদ, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা জয়াস চাকমা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ভেটেনারি সার্জন ডাঃ প্রবাল চৌধুরী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর আঃ রাজ্জাক, বাঘাইছড়ি উপজেলা থানা ওসি তদন্ত মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রুপময় চাকমাসহ বাঘাইছড়ি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।
বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নূয়েন খীসা বলেন, বাঘাইছড়ি উপজেলায় ম্যালেরিয়া বৃদ্ধি হয়েছে। তাই জন সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। বাঘাইছড়ি থানা ওসি তদন্ত জাহাঙ্গীর আলম বলেন, থানা থেকে সদরে যাতায়াত করতে ভাঙ্গা রাস্তা ও গাড়ি বিহীন চলাচল করতে হয়। বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাইয়ুম বলেন, পাহাড়ের অবৈধ অস্ত্রের মাধ্যামে সন্ত্রাসীরা শান্তি সম্প্রীতি নষ্ট করছে। বাঘাইছড়ি দীঘিনালা সড়কে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য। তাই নিরাপত্তা জোরদার করা জন্য মারিশ্যা জোন, ৫৪ বিজিবি, বাঘাইহাট জোন, পুলিশ, আনসারের সমন্বয়ে চেক পোস্ট বৃদ্ধি ও বাঘাইছড়ি দীঘিনালা সড়কে বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা জোরদার করার জোর দাবি জানানো হয়।
