বিষাক্ত এ্যামোনিয়া, বাসি-পচা জেলি এবং বহু ব্যবহারে প্রচন্ড কালো হওয়া তেল ব্যবহারের অভিযোগে রাঙামাটি শহরের দুটি বেকারিতে অভিযান চালিয়েছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব পল্লব হোম দাস এর নেতৃত্বে ভেদভেদী এবং মানিকছড়ি এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় ভেদভেদীস্থ সুমন বেকারিতে বিষাক্ত এ্যামোনিয়া, বাসি, পচা, জেলি এবং একাধিকবার ব্যবহৃত প্রচন্ড কালো তেল পাওয়া যায়। এসব জিনিস বেকারিতে প্রস্তুতকৃত খাদ্য দ্রব্যে ব্যবহৃত হওয়ায় ঐ বেকারীর মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪২ ধারায় ৫০০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়া মানিকছড়িতে জননী কুলিং কর্ণারে মেয়াদ উত্তীর্ণ কেক, বিস্কুট এবং বাসি পচা খেজুর প্যাকেটজাত করে রাখার দায়ে একই আইনের ৫১ ধারায় ২০০০ টাকাসহ সর্বমোট ৭০০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে বাসি পচা, মেয়াদ উত্তীর্ণ কোন খাবার না রাখার জন্য দোকনদারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পেশকার মোঃ নজরুল ইসলাম, স্যানেটারি ইন্সপেক্টর নাসিমা আক্তার খানম ও জেলা পুলিশের সদস্যগণ উপপস্থিত থেকে ভ্রাম্যমান আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনকারি পল্লম হোম দাস।
