লংগদু প্রতিনিধি ।।
জাতীয় শোক দিবসে রাঙামাটির লংগদুতে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় জাতির পিতাকে স্মরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসমূহ।
সোমবার (১৫ আগস্ট) সকালে শোক র্যালির মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ, বাংলাদেশ পুলিশ লংগদু থানা, বাংলাদেশ আনসার ৩৬ ব্যাটালিয়ন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ, ননগেজেটেড কর্মচারী ক্লাব, উপজেলা তথ্য অফিস, লংগদু ইউনিয়ন পরিষদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, লংগদু সরকারি মডেল কলেজ, লংগদু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তিনটিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনি রায়’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার, লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুল আমিন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা শুভাশিষ কর্মকার, সাংবাদিক এখলাস মিঞা খান, মুক্তিযোদ্ধা মীর শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রমূখ।
সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিককর্মী আরমান খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাহসী নেতৃত্বের কারনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে স্বপরিবারে শহীদ হন বাঙালির প্রিয় নেতা। জাতির জনককে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে বাংলাদেশ আবারো পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে । বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে তার কন্যা শেখ হাসিনা আজ দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ জাতির পিতাকে হত্যার বিচার শুরু হয়েছে। হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, দেশের স্বাধিনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করতে হবে। নতুন প্রজন্মকে যোগ্যতা সম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিকল্প নাই।
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাকসুদুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এমকে ইমাম উদ্দিন, উপজেলা প্রকৌশলী শামশুল আলম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আতাউর রহমানসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ।
