সুহৃদ সুপান্থ
সভাপতি পদে দীপংকর তালুকদারের পক্ষে আওয়ামীলীগের ৯ টি সহযোগি সংগঠনের বিবৃতিতে ‘বিস্ময়’ প্রকাশ করে এর এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সভাপতি পদের আরেক প্রার্থী,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান ও রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি নিখিল কুমার চাকমা।
শনিবার মধ্যরাতে পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কমকে তিনি বলেন,‘ সম্মেলন আওয়ামীলীগের,কাউন্সিলররা সবাই আওয়ামীলীগের নেতা,তাদের সিদ্ধান্তেই যা হবার হবে। ৯ সহযোগি সংগঠন আমাদের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন,আমরা তাদের অভিভাবক। তারা কেনো কোন বিশেষ প্রার্থীকে সমর্থন দিবে ? বিষয়টি আশ্চর্যজনক। তারাতো ভোটারও নয় কাউন্সিলে !’
নিখিল কুমার চাকমা বলেন, ‘তারা যাকে সমর্থন দিয়েছেন তিনি যেমন আওয়ামীলীগের নেতা,তেমনি আমরাও। আমরা তো কেউ বাইরের নয়। আজ তারা সমর্থন দিলো একজনকে,কাল যদি ভোটে অন্যরা নির্বাচিত হয়,তখন তারা কি বলবে ? বিব্রত হবেনা ?’
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের এই চেয়ারম্যান আরো বলেন,‘ আমি সভাপতি পদে নির্বাচন করছি দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধ,দলকে আরো শক্তিশালি ও সুসংগঠিত করতে। দীপংকর তালুকদার আমারও নেতা,তার সাথে তো আমার শত্রুতা নেই। কাউন্সিলররা যাকে যোগ্য মনে করবেন,তাকেই ভোট দিবেন। আমরা সেটাই মেনে নিব। কিন্তু এই নয় সংগঠন কেনো হঠাৎ এমনটা করল বুঝতে পারছিনা।’
তিনি বলেন, যারা সমর্থন দিয়ে বিবৃতি দিলো তারা তো আওয়ামীলীগের কাউন্সিলের ভোটারও নন। তাদের বিবৃতিতে কিইবা এসেযায়। তবে তাদের উচিত ছিলো সিনিয়রদের এই ইস্যুতে চুপ থাকা।’
নিখিল কুমার চাকমা বলছেন, ‘আগামী ২৪ তারিখ পর্যন্ত ভোটের লড়াই এবং আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা,২৪ তারিখের পর তো আমরা সবাই আবার একসাথে সব কাজে,কর্মসূচীতে থাকব। কারোই এমন কিছু করা উচিত নয়,যাতে সবাই বিব্রত হয়।’
নিখিল কুমার চাকমা প্রশ্ন তোলেন,‘ তারা শুধুমাত্র সভাপতি পদেই একজনকে সমর্থন দিলো কেনো ? অন্য পদে (সাধারন সম্পাদক) কি দোষ করল ? সেখানেও একজনকে সমর্থন দিতো।’
তিনি কাউন্সিলরদের প্রতি অনুরোধ করে বলেন, ‘কে কেনো কাকে সমর্থন দিলো,এসব মাথায় না নিয়ে আপনারা যাকে যোগ্য মনে করবেন,তাকেই ভোট দিবেন। কেউই আপনাদের শত্রু নয়। আমরা সবার দল একটাই আওয়ামীলীগ, আমরা সবাই শেখ হাসিনার কর্মী। সুতরাং নির্বাচন নিয়ে বাড়াবাড়ি করার কিছু নাই। দলের কাউন্সিলরদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। ’
Previous Articleদীপংকরের সমর্থনে যৌথ বিবৃতি ৯ সহযোগি সংগঠনের
Next Article উপনির্বাচনে ঠিক হবে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি !
