বৃহস্পতিবার রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতি (এমএনলারমা)’র সহসভাপতি শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা এবং শুক্রবার দুপুরে তার দাহক্রিয়ায় যাওয়ার পথে মাইক্রোবাসে গুলি করে ইউপিডিএফ-গনতান্ত্রিক এর প্রধান তপনজ্যোতি চাকমা বর্মাসহ ৫ জনকে হত্যার ঘটনায় শনিবার সকাল পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।
নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুল লতিফ শনিবার সকালে জানিয়েছেন, আমি উভয় ঘটনার ভিক্টিমদের পরিবারের সদস্যদের সাথে আলাপ করছি,মামলা দায়ের করার অনুরোধ করছি,তারা একবার মামলা করবে বলে জানায়,আবার পিছিয়ে যাচ্ছে। তারা যদি আজকের মধ্যে মামলা না করে ,তবে আমরা আমাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে নিজেরেই বাদি হয়ে মামলা করব।
দুইদিনের ৬ জনকে হত্যার পর সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার সকালে নিজ কার্যালয়ের কাছে একদল দুর্র্বৃত্ত গুলি করে হত্যা করে নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাকে। এসময় তার সাথে থাকা সহযোগি রূপম চাকমাও গুলিবিদ্ধ হয়। এর পরদিন শুক্রবার শক্তিমান চাকমার দাহক্রিয়ার যোগ দিতে যাওয়া গাড়ীতে গুলিবর্ষন করা হলে ইউপিডিএফ-গনতান্ত্রিক এর প্রধান তপনজ্যোতি চাকমা বর্মাসহ ৫ জন নিহত হয়। এসময় গুলিবিদ্ধ হয় আরো অন্তত: ৮ জন। এদের মধ্যে প্রথমে সবাইকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হলেও গুরুতর আহত ৪ জনকে পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়
উভয় ঘটনার জন্য প্রসিত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ কে দায়ি করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএনলারমা) ও ইউপিডিএফ-গনতান্ত্রিক।