সব কিছু ঠিকঠাক মতোই চলছিলো। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ষষ্ঠিপূজার মধ্যদিয়ে শুরু হবে মহারতী অনুষ্ঠান শারদীয় দূর্গোৎসব দূর্গাপূজা। রাতভর টানা বৃষ্টি। কাপ্তাই হ্রদের অস্বভাবিকভাবে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সকালে দেখা গেল পূজামন্ডপেই পানি থই থই করছে। আনন্দ যেন হঠাৎ নিরানন্দে পরিণত হওয়ার উপক্রম। কি আর করা পূজা উৎযাপন কমিটি বাধ্য হয়ে তাড়াহুড়া করে ভাসমান মন্ডপ তৈরী করতে ব্যস্ত হয়ে গেল। ঘটনানটি লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ শ্রী শ্রী হরিমন্দিরে দূর্গাপূজা মন্ডপের।
মাইনীমুখ হরিমন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি স্বপন ধর জানান, বিগত দশ বছরের মধ্যে আমাদের মন্দিরের পূজা মন্ডপে কখনও পানি উঠে নাই। এই প্রথমবার পানি উঠতে দেখলাম। পানি উঠলেও আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনিকভাবে সকল সহযোগিতা আমরা পাচ্ছি। আশা করি ভালোভাবে মায়ের উৎসব পালন করতে পারবো।
পূজা উৎযান কমিটির সভাপতি স্বপন চক্রবর্তী জানান, ভাসমান স্টেজ করে পূজামন্ডপের কাজ করতে হচ্ছে আমাদের। জরুরী ভিত্তিতে কাপ্তাই লেকের পানি কমানোর জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।
লংগদু থানা অফিসার ইনচার্জ রন্জিত কুমার সামন্ত জানান, লংগদুতে শুধুমাত্র উপজেলা সদরে তিনটিলা শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ সেবাশ্রম মন্দির ও মাইনীমুখ শ্রী শ্রী হরিমন্দিরে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূজা উপলক্ষে গোটা মন্দির এলাকায় তিন স্থরের নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া মোবাইল টিম রয়েছে। প্রাকৃতিক সমস্যার কারণে এবার লেকের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। একারণে পূজামন্ডপে পানি উঠেছে। প্রকৃতির উপর কারো হাত নেই।
দূর্গাপূজা উদযাপন মনিটরিং সেল কমিটির লংগদুর আহবায়ক ও রাঙামাটি জেলা কমিটির সদস্য রতন কুমার চৌধুরী জানান, এবার লংগদুতে দূর্গাপূজা মহাসাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকল প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্যান্যবারের চেয়ে এবছর অনেক জাঁকজঁমকভাবে শারদীয় দূর্গা উৎসব পালিত হবে আশা করছি।
Previous Articleকাউখালীতে খানা তথ্য ভান্ডার শুমারীর সভা
Next Article খাগড়াছড়ির সম্মিলিত ছাত্রসমাজের বিবৃতি
