রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও খাগড়াছড়ি দিঘিনালা উপজেলার ১ নং মেরুং ইউনিয়নের ৪ কিলো গ্রামের হামে আক্রান্ত হতদরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রশাসন।
গত কিছুদিন ধরে হামে আক্রান্ত হয়ে পরে এলাকার প্রায় ১০ টি পরিবারের শিশু। কিন্তু সীমানা জটিলতায় সঠিক চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছিল তাদের। ২২ এপ্রিল বুধবার স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাদের দুঃখ কষ্টের কথা প্রকাশিত হয়। এর পরেই দিঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি মেডিকেল টীম পাঠায়।
উক্ত মেডিকেল টীম আক্রান্ত ১৬ জন থেকে গুরুতর ৪ জনকে যাতায়াত খরচ ৫ শত টাকা দিয়ে নিকটবর্তী বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরন করেন। চিকিৎসক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা পত্র দিলেও মেলেনি সরকারী ঔষধ। এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব জিতু আক্রান্ত পরিবারের খোঁজ নিয়ে ত্রান সামগ্রী বিতরনের উদ্যোগ গ্রহন করেন। ত্রান বিতরন কালে হামে আক্রান্ত এক শিশুর পিতা টাকার অভাবে ঔষধ কিনতে পারছেন না বলে নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবার ঔষধ কিনে দেয়ার ঘোষানা দেন তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার আক্রান্ত শিশুদের জন্য অষুধ কিনে দেয়া হয়।
বাঘাইছড়ির সাংবাদিক মোঃ ওমর ফারুক সুমন জানান, ৪ কিলো গ্রামে ত্রান বিতরণের সময় এক অভিভাবক টাকার অভাবে ঔষধ কিনতে পারছেন না বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানান। তিনি তৎক্ষাণিক আমাকে আক্রান্ত সকলের ব্যবস্থাপত্র সংগ্রহ করে যাতে ঔষধ ক্রয় করে ভাউচার জমা দিতে বলেন। শুক্রবার সকালে ঔষধ ক্রয় করে হামে আক্রান্ত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করি।”
