খাগড়াছড়ির আলোচিত ইতি চাকমাকে কয়েকজন বন্ধু মিলে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে তুষার চাকমা। পরে এই হত্যাকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে অংশ নিয়ে নিজেই হত্যার প্রতিবাদ ও হত্যাকারীদের বিচার দাবি করে।
জেলার আলোচিত কলেজ পড়ুয়া ইতি চাকমার হত্যার ঘটনার প্রধান আসামি তুষার চাকমা(১৮)কে আটকের পর এমন তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। রোববার বিকালে খাগড়াছড়ির চেঙ্গী স্কয়ার এলাকা থেকে তুষার চাকমাকে আটক করা হয়। পরে সোমবার বিকালে তাকে আদালতে তোলা হলে ইতি হত্যায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে।
খাগড়াছড়ি শহরের আরামবাগ এলাকায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাতে ইতি চাকমা(১৮)কে গলা কেটে খুন করা হয়। সে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিল। ওই দিন রাতে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
ইতি দীঘিনালা উপজেলার ছনখোলাপাড়ার মৃত অন্ত্ররেন্দ্রীয় চাকমার মেয়ে। শহরের আরামবাগ এলাকায় দুলাভাইয়ের ভাড়া বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করতো।
ঘটনার একদিন পর ইতি চাকমার বোন জোনাকি চাকমা অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। এদিকে ইতি চাকমার হত্যাকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়িসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধন করে বিভিন্ন সংগঠন।
অবশেষে ঘটনার ৭মাস পরে খাগড়াছড়ির ইতি চাকমা হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি তুষার চাকমাকে আটক করা হয়েছে। সে রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সুনীল চাকমার ছেলে। সে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের এইচএসসি পরিক্ষার্থী ছিল।
খাগড়াছড়ি সদর থানার এসআই আব্দুলাহ মাসুদ জানান, মুলত প্রেম সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে ইতি চাকমাকে হত্যা করা হয়। হত্যায় তুষার চাকমাসহ মোট ৫জন অংশ নেয়।
রোববার বিকালে তাকে খাগড়াছড়ি কলেজ গেইট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে সোমবার বিকালে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমানের আদালতে তোলা হলে তুষার স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে। পরে আদালত তাকে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয়।
খাগড়াছড়ি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান জানান, আটককৃত তুষারসহ ৫জন এই হত্যাকান্ডে অংশ নেয়। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

৬ Comments
অতি চালাকের গলায় দড়ি
সালাকে রামধোলাই দেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি ।
৩ মাএা লাগান
mar chalake,,,,,,,
MAGIR POLAKE AMR KASE NEA AN
সাজানো নাটক