শ্যামল রুদ্র, রামগড়
খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের তৈচালা খালের ওপর নির্মিত সেতুটির সংযোগ সড়ক ও ধারক প্রাচীর না থাকায় এখন অনেকটাই অকেজো হয়ে পড়েছে। ফলে দুই গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন। জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যরে সেতু ও সংযোগ সড়ক নিমার্ণের উদ্যোগ নেয়। এতে বরাদ্দ রাখা হয় এক কোটি টাকা।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, তৈচালা খালের ওপর সেতু নিমার্ণ করা হলেও সংযোগ সড়ক ও ধারক প্রাচীর নেই। যে কারণে গ্রামবাসী এটি ব্যবহার করতে পারছে না। স্থানীয় বাসিন্দা হাসান আলী জানান, ইতিপূর্বে কাঠ-বাঁশ দিয়ে নির্মিত সাঁকো দিয়ে এলাকাবাসী চলাচল করত। কিন্তু এখন সেতু নিমার্ণ করায় সে সুবিধাও চলে গেছে। খুবই বেকায়দায় পড়েছেন তাঁরা। প্রবল বর্ষা শুরু হলে রাস্তা ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত মাটি ভরাটের মাধ্যমে ধারক প্রাচীর ও সংযোগ সড়ক নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
ওই এলাকার আবু তাহের উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, গত দুই বছর ধরেই সেতুর কাজ চলছে। এখনও সম্পন্ন না হওয়ায় গ্রামবাসী ভোগান্তিতে পড়েছেন। সংযোগ সড়ক না থাকায় কৃষক তাঁদের উৎপাদিত ফসল কাঁধে করে বিপণন করতে বিপদে পড়েছেন। এ অবস্থায় কাঠের একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করে সমস্যার কিছুটা লাঘব সম্ভব। রামগড় সদর এলাকায় যাতায়ত করতেও কষ্ট করছেন স্থানীয়রা।
রামগড় পৌরসভার কাউন্সিলর মোহাম্মদ শামীম বলেন, জেলা পরিষদ থেকে সেতু নিমার্ণের বরাদ্দ এসেছে। সেতু নির্মাণও ইতিমধ্যে হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মাটি ভরাট ও ধারকপ্রাচীরের কাজ করা হবে। ঠিকাদারকে বলা হয়েছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নিবার্হী কর্মকর্তা টিটন খীসা বলেন, ধারক প্রাচীর ও সংযোগ সড়ক না থাকার বিষয়ে আমি অবগত নই। ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।
