দুই বছর পেরিয়ে গেলেও রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে না পারার দায় স্বীকার করে নিয়ে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের নেতারা বলেছেন, ব্যক্তিগত ব্যস্ততা,প্রাকৃতিক দুর্যোগ,পাহাড়ধসনহ বিভিন্ন কারণে এটি করতে দেরি হয়েছে,তবে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই এটা হয়ে যাবে।’
শুক্রবার সকালে রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে জেলা ছাত্রলীগের ৫ নেতার উদ্যোগে জেলা ছাত্রলীগের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন তারা।
একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ ৫ নেতার ছাত্রলীগ’ শিরোনামে এক সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগ নেতারা নিজেদের ‘যোগ্য’ এবং ‘ছাত্র’ দাবি করে বলেন, তাদের অযোগ্য ও অছাত্র লেখার বিষয়টি আদৌ সত্য নয়, এটা ‘মনগড়া’ এবং মিথ্যা’। তবে এসময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তারা কে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র সেটা জানাতে পারেননি। তবে তারা দাবি করেন,সম্মেলনে সিভি জমা দেয়ার সময় তারা ছাত্র ‘ছিলেন’।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজন,সহসভাপতি সাইফুল আলম রাশেদ,সহসভাপতি কাউসার রুমি,সাধারন সম্পাদক প্রকাশ চাকমা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন টিপু।
ছাত্রলীগ নেতারা তারা ঐক্যবদ্ধ আছেন এবং তাদের মধ্যে কোন গ্রুপিং নেই বলেও দাবি করেন। এসময় এক সাংবাদিক গ্রুপিং না থাকলে কমিটি করতে কেনো এতো দীর্ঘসূত্রিতা, বিষয়টি জানতে চাইলে তারা বলেন, জামাত-শিবির ও পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের অনুপ্রবেশকারিদের চিহ্নিত করে প্রকৃত ও আদর্শবান নেতাকর্মী যাচাই করতে একটু সময় লাগছে। নিজেদের মধ্যে গ্রুপিং না থাকার বিষয়টি দাবি করে তারা বলেন, তারা সকল কর্মসূচী একসাথেই পালন করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের পরিবারের কেউ আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত না থাকার বিষয়ে সরাসরি জবাব না দিয়ে সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজন বলেন,তার ভাই ( মো: ইউনুস,স্বাস্থ্য পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক,জেলা ছাত্রদল) পৌর নির্বাচনে আকবর হোসেন চৌধুরীর জন্য প্রকাশ্যেই কাজ করেছেন এবং এই বিষয়টি আকবর ভাই এবং আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মুছা মাতব্বর ভাই জানেন।
জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজনের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ সম্পর্কে কোন বক্তব্য রাখেননি তিনি। তবে কালের কন্ঠর প্রতিবেদককে ‘অযোগ্য’ ও ‘অগাধ সম্পত্তির মালিক’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সাথে ওই প্রতিবেদক ‘আঞ্চলিক দলগুলোর মদতদাদা’ হিসেবে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ করেন সুজন।
প্রসঙ্গত,গত ৩১ আগষ্ট দৈনিক কালের কন্ঠে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের দুই বছরেও পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি না হওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে ‘৫ নেতার ছাত্রলীগ’ নামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

২ Comments
ছাত্রলীগ সংগঠনকে শক্তিশালী ও গতিশীল রাখার জন্যে কোন প্রকার বিলম্ব না করে যত দ্রুত সম্ভব পূনাঙ্গ কমিটি করা হলে সংগঠনের মঙ্গল হবে।
nayok razzak sombonde jante …..https://youtu.be/3FBCBCZfYyU