মহালছড়ি প্রতিনিধি
সামান্য বৃষ্টি হলেই পাহাড়ি ঢলের পানিতে ডুবে যায় মহালছড়ি সরকারি কলেজ। তখন কলেজের প্রতিটি কক্ষে পানি ঢুকে প্রতিবছর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফার্ণিচারের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ঢলের পানি নেমে আসলে ২৪ মাইল নামক জায়গা প্লাবিত হয়। ফলে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি- মহালছড়ি সদরের সঙ্গে সকল যানবাহন চলাচল ২-৩ ঘন্টা বন্ধ থাকে। এসময় পথচারীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে মহালছড়ি কলেজে গিয়ে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে মহালছড়ি কলেজ ও মহালছড়ি সদরে যাওয়ার একমাত্র সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।

স্থানীয় এক পথচারী কান্তি মারমা বলেন, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পথচারী ও স্থানীয় জনসাধারণের এ ভোগান্তি পোহাতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিলেও আজ অবধি কোন সুফল পাওয়া যায়নি।
মহালছড়ি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ফরিদুল আলম চৌধুরী একমাত্র খাল খনন না হওয়াকে দায়ী করে বলেন, ‘পার্শ্ববর্তী খালটি খনন না করায় ২০১৫ সাল হইতে বর্তমান পর্যন্ত এ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই কলেজের আসবাবপত্র, কক্ষের ফ্লোরসহ একাডেমিক ভবনের ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়। খাল খননের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। কিন্ত আজ অবধি খাল খনন করার কোন লক্ষণ দেখতে পাচ্ছিনা। খাল খনন না হওয়া পর্যন্ত এর ভোগান্তি শেষ হবে না।’
এ বিষয়ে মহালছড়ি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে খাল খননের জন্য গতবছর পরিদর্শনে এসেছিলেন এবং অতি দ্রুত খাল খননের কাজ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্ত এরপর থেকেই আজ অবধি কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। আমি নিজ উদ্যোগে যতটুকু সম্ভব খালের উপর পড়ে থাকা ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করেছি। সব টুকুতো আর একার পক্ষে সম্ভব নয়।’
