খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংস্রইপ্রু চৌধুরী অপু বলেছেন, সব ধর্ম শান্তির কথা বলে। সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের কথা বলে। তাই আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রেখে যে যার মত ধর্ম চচা করবো। শুক্রবার খাগড়াছড়ির আর্যমার্গ বন বিহার এবং দীঘিনালা বন বিহারে কঠিন চীবর দান উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত ধর্মীয় সভায় এই কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশে সকল ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠী মিলেমিশে থাকার অনন্য নজির রয়েছে আমাদের। আমরা একে অপরে মিলেমিশে সকল ধর্মীয় উৎসব পালন করে থাকি। কোন ধর্মই হিংসা-হানাহানির কথা বলে না। যারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায় না, তারা ধর্ম নিয়ে হিংসা বিদ্বেষ ছড়িয়ে মানুষের মাঝে দূরত্ব তৈরি করে। দুষ্টু চক্র যাতে সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেদিকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
খাগড়াছড়ির আর্যমার্গ বন বিহার এবং দীঘিনালা বন বিহারে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে বৌদ্ধ নর-নারীদের পঞ্চশীল গ্রহণ, বৌদ্ধ মুর্তি দান, সংঘদান, অষ্ট পরিস্কার দান, চীবরদান, কল্পতরু দান ও বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পিন্ডদানসহ নানাবিধ দান করা হয়।
দানোত্তম কঠিন চীবর দান উপলক্ষে দূর দূরান্ত থেকে পূণ্য সঞ্চয়ী করার জন্য শত শত পূণ্যার্থীরা বিহারে সমাগম হয়েছে। এসময় ধর্মীয় গুরুরা পূণ্যার্থীর উদ্যেশ্যে বৌদ্ধ বিহারে ধর্ম দেশনা প্রদান করেন।
জগতের সকল প্রাণীর সুখ শান্তি ও মঙ্গল কামনা করা হয়। দায়ক দায়িকারা যে যার সাধ্যমত প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, ফুল-ফল, ছোয়াইং (খাবার) প্রদান করে বৌদ্ধসহ ভান্তেদের কে দান করেছে। সন্ধ্যায় ভগবান বুদ্ধের উদ্দেশ্যে আকাশ প্রদীপ (ফানুস বাতি) উড়িয়ে দেয়া হয়।
