‘যুদ্ধবিধ্বস্থ একটি দেশ যখন ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছিলো, ঠিক তখনই স্বাধীনতা বিরোধী পরাজিত শক্তি দেশের সফল নায়ক ও তার পরিবারের সদস্যদের ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট নির্মম ভাবে হত্যা করে। স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো দেশের উন্নতি দেখে ঈর্ষান্বিত হচ্ছে। দেশের বিরুদ্ধে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষরযন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা যাতে কোন ষড়যন্ত্রে সফল হতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আর আপনারা যদি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ভালোবাসেন, বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে থাকনে তাহলে বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছে, তাদের নাম গুলো যাতে আপনার সন্তানদের নাম হিসেবে রাখা না হয়। পারতপক্ষে এগুলো পরিহার করুন’ এমন আহ্বান জানিয়েছেন রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি,কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য,সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার। একই সাথে উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখতে ২০১৯ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীককে জয়ী করার আহব্বান জানিয়েছেন তিনি।
‘হে পিতা-তোমার আদর্শে শাণিত আমাদের চেতনা, অশুভের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তুমি নিরন্তর প্রেরণা’- এই প্রতিপাদ্যটিকে সামনে রেখে কাউখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সকল শহিদদের স্মারণে শোকসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। মঙ্গলবার বিকাল চারটায় নব নির্মিত কাউখালি উপজেলা পরিষদ মিলনায়নে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অংসুপ্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে শোকসভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওমীলীগের সহ সভাপতি ও সাবেক কাউখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসাপ্রু মারমা, তথ্য গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো: রফিক, উপজেলা আওয়ামলীগের সহ সভাপতি ক্যজাই মারমা, মিলন কান্তি পালিত, সাধারণ সম্পাদক এরশাদ সরকার, যুগ্ম সম্পাদক মো: বেলাল উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অংক্যজাই চৌধুরী খেয়াং, সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মো: শফিকুর রহমান শরীফ, ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন ও মো: রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

৩ Comments
পাহাড়িরা নিঃসন্দেহে নামগুলো রাখবেনা এবং হয়তো কারো থাকলে বদলিয়ে নিব হয়তো।বিভিষনের নাম রাখা আসলেই উচিত নয়।দেশকে দেশের জনতাকে জনগনের স্বপ্ন,আশা আকাঙ্খাকে নস্যাৎকারদের নাম মুছে ফেলা হোক।সত্যে জয় হোক
hahaha…what a lecture… “!”
দীপঙ্কর নামটি এক মহামতি মানবের নাম.কিন্তু রাংগামাটির আওয়ামীলিগের দীপঙ্কর তালুকদারের নাম হচ্ছে বেঈমানী বিশ্বাসযাতকতার নাম..সেই আবার মানুষকে শিক্ষা দিতে চায়..ছিঃ ছিঃছি: