রাঙামাটির বামপন্থী আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও শহীদ সাংবাদিক আব্দুর রশীদ এর ২৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
দিনটি উপলক্ষ্যে ৪ জুন রবিবার সকালে রাঙামাটি শহরের রিজার্ভবাজারস্থ শহীদের স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পন করে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন। এসময় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙামাটি জেলা যুব ইউনিয়নের সভাপতি জিসান বখতেয়ারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সিপিবি নেতা সমীর দেব,উদীচী সভাপতি অমলেন্দু হাওলাদার,জেলা যুব ইউনিয়নের সম্পাদক কমল দাশ, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সম্পাদক অভিজিৎ বড়–য়া,যুবনেতা মিল্টন বিশ্বাস,রবি বড়–য়া,আশীষ দাশ গুপ্ত প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিপ্রক্রিয়ার অগ্রদূত শহীদ আব্দুর রশীদ এর হত্যাকারিরা এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার দেখানো পথেই পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হয়েছে পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে,কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো তাকে মনে রাখেনি। তারা রশীদের খুনিদের বিচার দাবি করেন।
এদিকে ২৭ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শহীদ আব্দুর রশীদ এর বনরূপাস্থ বাসভবনে মিলাদ মাহফিল ও এতিমদের খাওয়ানো হয়। তার স্ত্রী সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য শামীমা রশীদ,পুত্র মোস্তফা রশীদ রনি এবং কণ্যা সারা রশীদসহ পরিবারের সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ৪ জুন বনরূপায় নিজের সাপ্তাহিক পার্বত্য বার্তা কার্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় একজন আততায়ীর গুলিতে নিহত হন সেই সময়কার যুব ইউনিয়ের এই সভাপতি আব্দুর রশীদ। তিনি মৃত্যুকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য,কাঠ ব্যবসায়ি সমিতি,রাঙামাটি চেম্বার,বনরূপা ব্যবসায়ি সমিতিসহ অন্তত: ২৪ টি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছিলেন।
