পবিত্র ঈদুল আযহাকে ঘিরে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির কোরবানি পশুর হাট। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে কোরবানি পশু জেলা শহরে আসছে, আবার সে পশু যাচ্ছে জেলা শহরের বাহিরে চট্টগ্রামেও। বৃহস্পতিবার শহরের ট্রাক টার্মিনাল কোরবানি পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে হাট জমে উঠেছে ক্রেতা বিক্রেতার পদচারণায়।
পশু বিক্রেতা আজগর আলী বলেন, আমি মাইনি থেকে গরু নিয়ে এসেছি। দাম ৭০ হাজার টাকা। একটা গরু বিক্রি করেছি ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে।
অন্য এক বিক্রেতা সোলাইমান জানান, অন্য বছর থেকে এবছর পশুর দাম অনেকটা কম। শুরুর দিকে বাজারে ক্রেতা না থাকলেও এখন জমে উঠেছে।
বাজার ঘুরে আবুল হোসাঈন নামের এক ক্রেতাকে পাওয়া যায়। তিনি জানান, বাজারে বেশ কোরবানী পশু এসেছে বিভিন্ন জায়গা থেকে, দাম শুরু দিকে কম থাকলেও এখন ক্রেতাদের অবস্থা দেখে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে বিক্রেতারা।
তৌহিদ খাঁন জানান, শুরুর দিকে ক্রেতা কম থাকলেও এখন শেষ মুহুর্তে অনেক ক্রেতা। দাম এখন একটু বেশি, তবে আমরা ৫জনে মিলে ৮০ হাজার টাকা দিয়ে একটা নিয়েছি।
রাঙ্গামাটি ট্রাক টার্মিনাল কোরবানি পশুর হাটের ইজারদার ছাওয়াল উদ্দীন জানান, হাটে বেশ কোরবানীর পশু এসেছে। দাম গত বছরের তুলনায় অনেকটা সহনীয়। রাঙামাটিতে শুরু দিকে ক্রেতা না থাকায় পশু চট্টগ্রাম নিয়ে গেছে অনেক বিক্রেতারা। তবে বুধবার বাজার থেকে আশা অনুরুপ ক্রেতা আসছে হাটে।
রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবির জানান, কোরবানি পশুর হাটে আমাদের তিন স্থরের পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। সাদা পোষাকে, পুলিশ ইউনিফর্মে এবং ট্রাফিক পুলিশ। এছাড়া জাল নোট সনাক্ত করার জন্যও সনাক্তকরণ মেশিন সহ পুলিশ রয়েছে হাটে। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো জানান, করোনা পরিস্থিতির জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাটে যাতে সকলে পশু কিনতে পারে সে জন্য পুলিশ নজর রাখছে।
