গত ২ জুন লংগদুুতে পাহাড়ীদের বাড়ীঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনার জন্য লংগদু উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্ব¦ল হোসেনকে দায়ি করে তাকে ‘ মূল হোতা ও পরিকল্পনাকারী’ উল্লেখ করে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন লংগদু উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতারা।
সোমবার সন্ধ্যায় মাইনীমূখ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় এই দাবি করেছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতারা।
বক্তারা বলেন, নিহত নুরুল ইসলাম নয়ন আমাদের যুবলীগের কর্মী। আমরা তার হত্যার তীব্র নিন্দা জানাই ।এবং পাশাপাশি এ হত্যাকে কেন্দ্রকরে যারা পাহাড়ি গ্রামে আগুন দিয়ে দু’শতাধিক বাড়িঘর পুড়িয়েছে আমরা তাদেরও শাস্তি দাবি করছি। তবে দুঃখের বিষয় ঘটনার মুল হোতা সাবেক সম-অধিকার নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান আজো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। কোন খুঁটির জোরে তিনি এখনো বহাল তবিয়তে আছেন তা আমরা জানতে চাই ।আমরা দ্রুত তাঁর গ্রেফতার দাবি করছি।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামীলীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে এই মতবিনিময় সভা করেছে মাইনীমূখ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ। সোমবার সন্ধ্যায় মাইনীমূখ ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃণমূল নেতাদের করণীয় সম্পর্কে এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো.আব্দুল আলী।
প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামীলীগ লংগদু উপজেলা শাখার সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহ সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মো.জানে আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র দাশ, আওয়ামীলীগ নেতা হাজী ফয়েজুল আজীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন, ডাঃ হারুনুর রশিদ।
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মহর আলীর সঞ্চালনায় এ মতবিনিময় সভায় বক্তরা বলেন, লংগদু উপজেলায় বর্তমানে আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক অবস্থা অনেক মজবুত। অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে এ উপজেলায় অনেক বেশি উন্নয়ন কাজ হয়েছে এবং হচ্ছে । আগামী নির্বাচনে এসকল উন্নয়নের কারণেই মানুষ নৌকায় ভোট দেবে বলে আশা করি ।
বক্তারা আরো বলেন, চাওয়া পাওয়ার হিসাব কষলে হয়তো অনেকে অনেক দুঃখের কথা বলবেন। তবে আজ সবকিছু ভুলে আমাদের হারানো আসন উদ্ধার করতে নৌকা প্রতীকের কান্ডারী জননেতা দীপংকর তালুকদারকে আগামী সংসদে বিজয়ী করতে সকল ভেদাভেদ ভুলে যেতে হবে ।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা শাহনেওয়াজ চৌধুরী, মাইনীমূখ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন চৌধুরী, মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফাতেমা জিন্নাহ্, উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রেজাউল করিমসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সভায় ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের শতাধিক আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন ।

৩ Comments
হায়রে রাজনীতি নিজেরা পুড়িয়ে বিএনপির ঘারে দোষ চাপানোর চেষ্টা চলছে।বিএনপি সভাপতি তোফাজ্জল ভাই কাজটি করিয়েছে পাগলেও বিশ্বাস করবেনা কারণ,কোথাও মুরগি চোরের বিচার হলে সে বিচারো আ লীগ করে তাই, এই কাজটির নেতৃত্বও আ লীগ দিয়েছে।
হা হা হা একটু হাসি পেল কারন রাজনীতি এত সস্তা, বি এন পি সব সময় সস্তা রাজনীতি করে, আওয়ামীলীগ সরকারে রয়েছে, কোন কারনে সরকারের ভাবমুক্তি নষ্ট হোক সেটা কোনদিন চাইবেনা আওয়ামীলীগ কর্মীরা। এইঘটনার মুল নায়ক তোফাজ্জল তাই তোফাজ্জল চেয়ারম্যান কে যদি গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয় তাহলে আসল ঘটনা বেড় হয়ে যাবে। ষড়যন্ত্র রাজনীতি করে বি এন পি, জামাত, আওয়ামীলীগ নহে।
সবতো চোরে চোরে মামাতো ভাই