যেখানে খাদ্য সামগ্রী দিতে কিংবা নিতে হুড়োহুড়ি থাকে সেখানে ত্রাণ বিতরণে ব্যতিক্রমী উদাহরণ সৃষ্টি করলো রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলা আওয়ামী লীগ। নিম্ন আয়ের মানুষজনকে সহায়তা দিলেন এক ভিন্ন পরিবেশে।
বুধবার বিকেল উপজেলার মাইনীমূখ ইউনিয়নের গাঁথাছড়া গ্রামে শতাধিক পরিবারের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সব কাজে যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে অনেকে ত্রাণ দিচ্ছেন লোক জমিয়ে। যাতে বাড়ছে সংক্রমণ ঝুঁকি। যার বিপরীতে লংগদু উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিতরণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। ইতোমধ্যে উপজেলায় ব্যতিক্রমী এই ত্রাণ বিতরণ পদ্ধতিতে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে প্রাচীন এই সংগঠনটি।
ঠিক সন্ধ্যা নামার আগেই উপজেলা আওয়ামী লীগে পক্ষ থেকে সারিবদ্ধভাবে খোলা জমিতে খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট সাজিয়ে রাখা হয়। সেখান থেকে একে একে খাদ্যশস্যের প্যাকেট নিয়ে যান গাঁথাছড়া গ্রামে শতাধিক নিম্ন আয়ের মানুষ।
লংগদু উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল দাশ বাবু বলেন, রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদারের নির্দেশ মোতাবেক প্রতিদিনই নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে বাড়ি বাড়ি ঘিয়ে ত্রাণ বিতরণ করে আসছি। ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে ভিন্ন ধরণের অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এই ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা। সরকার সামাজিক দূরত্বে কথা বললেও ত্রাণ বিতরণের সময় আমরা সেটি অনেকে করছি না। তিনি আরো বলেন, আমরা দুজনকে হাতে তুলে দিয়ে বাকীদের জন্য সারিবদ্ধ ভাবে রাখা রয়েছে যার যার মতো নিয়ে চলে গেছে।
লংগদু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বারেক সরকার বলেন, আমাদের উপজেলাটি দুর্গম হওয়ার কারনে সবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া কঠিন। কিছু মানুষকে একসাথে দিতে গিয়ে ভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকিও বাড়ছে তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকি কমিয়ে ত্রাণ বিতরণ করলাম।
