‘লংগদু উপজেলায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। আসন্ন নির্বাচনকে নিয়ে যাতে কোন প্রকার নাশকতা মূলক কর্মকান্ড সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে তার জন্য সকলের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। প্রয়োজনে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে।’
মঙ্গলবার সকালে রাঙামাটির লংগদু উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এ আহবান জাননো হয়েছে।
লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রবীর কুমার রায় এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন, লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তোফাজ্জল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, লংগদু সেনা জোনের উপঅধিনায়ক মেজর সালমান আরেফীন ছিদ্দিকী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নাছির উদ্দিন, লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ রঞ্জন কুমার সামন্ত, আটারকছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা, লংগদু প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ এখলাস মিঞা খান, লংগদু উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ জমির উদ্দিন।
এছাড়া লংগদু উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরজাহান বেগম সহ বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা, হেডম্যান, আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর প্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যাক্তিগন এসময় উপস্থিত ছিলেন।
লংগদু সেনা জোনের উপঅধিনায়ক মেজর সালমান আরেফীন ছিদ্দিকী বলেন, কিছুদিন আগে উপজেলার বড়াদম পাহাড়ী এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গুলি করে একজনকে হত্যা করেছে। এধরনের ঘটনা যাতে বার বার ঘটতে না পারে তার জন্য আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে খবর দিলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
লংগদু থানা অফিসার ইনচার্জ রঞ্জন কুমার সামন্ত বলেন, প্রশাসনের তৎপরতার ফলে এলাকার মাদক ব্যবহার, জুয়া, ইভটিজিং, নারী নির্যাতন ও বাল্য বিবাহের মত ঘটনা কিছুটা কমেছে। তারপরও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
লংগদু প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ এখলাস মিঞা খান বলেন, এখন বোরো, তরমুজ ও বিভিন্ন সবজি আবাদের মৌসুম, তাই যথা সময়ে কাপ্তাই হ্রদের পানি কমানোর জন্য ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্বাহী অফিসার প্রবীর কুমার রায় বলেন, লংগদুকে ভিক্ষুকমুক্ত করা হবে। এব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যারা ভিক্ষা ভিত্তি করে তাদের রেশন কার্ড বা এককালীন নগদ অর্থ প্রধান করা হবে যাতে তারা একটা কিছু করে খেতে পারেন। এব্যাপারে সকল ইউপি চেয়ারম্যানদের সহয়োগীতার প্রয়োজন।
সভায় উপজেলার আইনশৃংখলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য জাতি ধর্ম বর্ণ দলতম নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলের কামনা করা হয়।
