আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)আইএসপিআর এর ঘোষণার পরের দিনই বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে প্রশাসনসহ নিরাপত্তা বাহিনীর অ্যাকশন। এতোদিন নিরাপত্তা বাহিনী মাইকিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে আসলেও বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসনসহ নিরাপত্তা বাহিনী। সাধারণ মানুষ রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় নিরাপত্তা বাহিনীর এই অবস্থান বলে জানা যায়।
বুধবার আইএসপিআর-এর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে সেনাবাহিনী দেশের সব স্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং হোম কোয়ারেন্টিনের বিষয়টি কঠোরভাবে নিশ্চিত করবে। সরকারের দেওয়া নির্দেশাবলি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর পরের দিন সকালে রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি ও বনরূপা ঘুরে দেখা যায়, যেখানে মানুষের জটলা দেখছেন সেনাবাহিনী তাদের ধাওয়া দিচ্ছেন। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে কেউ বের হলে তাকে আবার বাসায় ফেরত পাঠাচ্ছেন। শহরে প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত, সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। অযথা কাউকে রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখলেই বাসায় পাঠানো হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, করোনা প্রতিরোধে জেলায় আটটি টিম কাজ করছে। যার মধ্যে রাঙামাটি শহরে চারটি টিম সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হোম কোয়ারেন্টিনসহ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ বলেন, আমরা প্রথম থেকেই করোনা ঝুঁকি এড়াতে সাধারণ মানুষকে ঘর থেকে বের হতে নিরুৎসাহিত করছি। সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে এই রোগটি নিয়ন্ত্রণে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। তারপরও দেখা যাচ্ছে, সাধারণ মানুষ অযথা রাস্তাঘাটে বের হচ্ছে। এছাড়া ছুটি বাড়ানোর পর অনেকের মধ্যে রিল্যাক্স বোধ কাছ করছে, এতে তারা আগের চেয়ে বেশি বাসার বাইরে অবস্থান করছে, এই বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা একটু কঠোর হয়েছি। তিনি বলেন, ইয়ং ও মধ্যবয়স্ক শ্রেণির লোকদের মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় বসে আড্ডা দিতে দেখা যাচ্ছে, এই বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ কাজ করছে।
