নিজস্ব প্রতিবেদক
রাঙামাটি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান রোমান বলেছেন, এই সড়কে কালভার্টের কাজ শুরু হবে, এলজিইডি কাজ করার সময় সড়ক বন্ধ করে দিবে, এতে ঐ এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হবে। তাই সেখানে যাতে চলাচলে ব্যবস্থা রেখে কাজ করা হয়। তাছাড়া ঐসব এলাকায় কালভার্টের প্রয়োজনীয়তা কি ?? তিনি আরও বলেন আঞ্চলিক দলের চাঁদাবাজির কারণে রাস্তায় গাড়ি চালানো কঠিন হয়ে পরেছে। বিশেষ করে খাগড়াছড়ি সড়কে, সেখানে গাড়ি থামিয়ে টোকেন চেক করা হয়। এ ব্যপারে প্রশাসন থেকে কোন সহযোগিতা পাই না।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ বলেন, এসব নিয়ে প্রশাসন সব সময় তৎপর আছে, কাজ চলছে, আগামীতেও চলবে।
এলজিডি নির্বাহী প্রকৌশলী আলতাব হোসেন বলেন, আমরা অন্তত একটা সিএনজি চলার মত রাস্তা রাখবো,ওসব স্থানে রাস্তা স¤প্রসারণের কোন সুযোগ না থাকায় এই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে। আমাদের বিশেষজ্ঞ দল এ পরিকল্পনা গ্রহণ করে আমরা শুধু মাত্র বাস্তবায়ন করি।
প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি এসএম শামশুল আলম বলেন, এলজিইডির একটি সিন্ডিকেড এসব অপকর্ম করে অপ্রয়োজনীয় ব্রীজ নির্মান করে। রাঙামাটিতে এমন বেশকিছু ব্রীজ হচ্ছে। এতে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় হচ্ছে। এসময় রাস্তার নির্মাণ কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সুধীজনরা।
রাঙামাটির সার্বিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে মাসিক সভা রবিবার সকালে জেলা প্রশাসনের সম্মলন কক্ষে জেলাপ্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হলে সেখানেই এইসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন তারা।
