নিজস্ব প্রতিবেদক
সারাদেশের মতো রাঙামাটিতেও করোনার গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনবিার সকাল ৯টা থেকে রাঙামাটি পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ড এবং বাঘাইছড়ি পৌরসভার ২ টি ওয়ার্ড ও জেলার ৪৯টি ইউনিয়নের ১ টি করে ওয়ার্ডে একযোগে এ গণটিকা কর্যক্রম শুরু হয়।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে সকাল থেকে নির্ধারিত টিকা কেন্দ্রে গিয়ে সাধারণ মানুষদের টিকা গ্রহণ করতে দেখা গেছে। তবে টিকা কেন্দ্রে আসাদের মাঝে মাস্ক পরিধান করা থাকলেও সামাজিক দুরত্বের বিষয়টি ছিল উপেক্ষিত।
এদিন রাঙামাটি ও বাঘাইছড়ি পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১৮০০ জন এবং প্রতি ইউনিয়নে ৬০০ জনকে টিকা প্রদান করার কথা থাকলেও রাঙামাটি পৌরসভায় ১৭৬৮ জন টিকা গ্রহণ করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে ইউনিয়নগুলো থেকে ঠিক কতজন টিকা নিয়েছে তার বিস্তারিত তথ্য এখনো আসেনি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা: বিপাশ খীসা জানিয়েছেন, রাঙামাটি পৌরসভার ৯ টি,বাঘাইছড়ি পৌরসভার ২ টি এবং ৪৯ টি ইউনিয়নে ১ টি করে ওয়ার্ডসহ মোট ৬০ টি কেন্দ্রে এদিন টিকাদান কার্যক্রম হয়েছে। এর মধ্যে দুর্গম মৈদং,দুমদুম্যা এবং সাজেকও আছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত আমরা শুধুমাত্র রাঙামাটি পৌরসভার টিকাদানের প্রকৃত চিত্র জানতে পেরেছি,এখানে ১৮০০ জন টিকা নেয়ার কথা থাকলেও নিয়েছেন ১৭৬৮ জন। বাকি রিপোর্টগুলো আসতে সময় লাগবে।
এদিকে রাঙামাটি জেলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান টিকাদান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য রাঙামাটি পৌরসভা, রাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর ও কাউখালি উপজেলার দশটি কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন। প্রতিটি কেন্দ্রের টিকাদান ব্যবস্থাপনা ছিল অত্যন্ত সুন্দর-সুশৃঙ্খল। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), সংশ্লিষ্ট ইউএনও ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান বলে জেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে।
