‘পার্বত্য চট্টগ্রাম এখন শান্তিতেই আছে। কিছু দুষ্কৃতিকারী গুজব ছড়িয়ে পাহাড়কে অশান্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২২ ডিসেম্বর রাঙামাটি সদর উপজেলার বন্দুকভাঙ্গা থেকে ৫ ইউপি সদস্যসহ ২০ জনের অপহরণের ঘটনায় এসপি বলেন, এটি একটি গুজব ছিলো, বিশ জনের মধ্যে সবাই এখন পরিবারের সাথেই আছে। আর এ ঘটনায় থানায় কোন জিডিও হয়নি। ’
মঙ্গলবার সকালে রাঙামাটিতে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেছেন পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান। এসময় তিনি সাম্প্রতিক সময়ে বন্দুকভাঙ্গার অপহরণ ঘটনা নিয়ে প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরে সাংবাদিকদের গুজবে কান না দেয়ার আহবান জানিয়েছেন।
কিছু ইলেকট্রিক ও অনলাইন মিডিয়া এ ধরণের গুজবের খবর প্রকাশ করেছে মস্তব্য করে এসপি সাঈদ তারিকুল হাসান আরো বলেন, সংবাদে প্রকাশে আপনাদের সত্যতা সম্পর্কে আরো নিশ্চিত হতে হবে। কারণ এসব সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সাঈদ তারিকুল হাসান আরও বলেন, পুলিশ জনগণের দৌড়গোড়ায় গিয়ে সেবা প্রদান করছে। অপরাধি যেই হোক আইনের চোখে সে অপরাধি। এদের বিরুদ্ধে সোর্চ্চার হওয়া সকলের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা নিজেরা প্রতিরোধ না করলে এদের কর্তৃক আমাদেরই নির্যাতিত হতে হবে। যারা পাহাড়কে অশান্ত করার চেষ্টা করছে তারা বেশি দিন টিকে থাকতে পারবেনা বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় এসময় রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর-সার্কেল) এম কে এইচ জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ সাফিউল সারোয়ার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) রুহুল আমিন সিদ্দিকী, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সত্যজিৎ বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন। এসময় রাঙামাটিতে কর্মরত প্রিন্ট, অনলাইন, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

১ Comment
কোন অর্থে পরামর্শ দেয়া হয়েছে জানি না। তবে সাংবাদিকদের কাছে দায়িত্বপূর্ন তথ্য সাধারন মানুষ পেতে চায়। তারা ভুল বললেও অনেকসময় সেটাকেই আমরা সত্য জানি।