মাত্র ৫৩ বছর বয়সেই চলে গেলেন রাঙামাটি শহরের চেনামুখ,সকল সামাজিক-ধর্মীয় ও রাজনৈতিক আয়োজনের অনিবার্য উপস্থিত মুখ রনেন্দ্র চাকমা রিন্টু। ফুসফুসের সমস্যা নিয়ে চট্টগ্রামে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
রাঙামাটির বিখ্যাত ছদক ক্লাবের সভাপতি,রাঙামাটি রাজবন বিহার পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং রাঙামাটি জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ছাড়াও অসংখ্য সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন রিন্টু।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক রিন্টুর অকাল মৃত্যুতে পুরো শহরেই যেনো নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পাহাড়ী বাঙালী নির্বিশেষে সকালেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্মৃতিচারন করে স্মরণ করছেন এই অকৃতদার মানুষটিকে।
রাঙামাটি জেলা বিএনপি সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকসহ বিএনপির নানান অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন ছাড়াও খোদ বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক পৃথক শোক বার্তায় রিন্টুর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। বিএনপি’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমও রিন্টুর মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।
মীর্জা ফখরুল শোক বার্তায় বলেছেন- ‘সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী দর্শনে গভীরভাবে আস্থাশীল রনেন্দ্র চাকমা রিন্টু রাঙামাটি জেলা বিএনপি’র একজন বলিষ্ঠ নেতা হিসেবে দলকে শক্তিশালী করতে মনেপ্রাণে কাজ করে গেছেন। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন।’
রনেন্দ্র চাকমা রিন্টু ফুসফুসের সমস্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ আগষ্ট সকাল সাড়ে ৭ টায় চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে মারা যান।
