নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
‘বিশুদ্ধ পালি ভাষায় বিনয় পিটক সুত্ত পিটক ও অভিধম্ম পিটক শিক্ষা কর’ এই স্লোগানে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক, মানবকল্যাণমূখী ও শিক্ষামূলক উদ্দ্যেশে প্রতিষ্ঠিত রত্মাঙ্কুর ফাউন্ডেশন বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের ১মবর্ষপূর্তি উদযাপিত হয়েছে। শনিবার দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্য পঞ্চশীল প্রার্থনা, বুদ্ধমূর্তিদান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, হাজার বাতি দান, ধর্মদেশনা, পিন্ডদানসহ নানাবিধ দান অনুষ্ঠিত হয়। সকালে প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ও বৌদ্ধ সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের পতাকা ও বৌদ্ধ পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে ভগবান বুদ্ধের ও মহাসাধক সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভান্তের) প্রতিকৃতিতে ও উপস্থিত ভিক্ষুসংঘকে পুষ্পমাল্য প্রধান করা হয়।
এসময় অনুষ্ঠানে পঞ্চশীল প্রার্থনা পাঠ করেন কিরন্তা চাকমা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শোভন চাকমা ও নিশা চাকমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি কমল কান্তি দেওয়ান, বৌদ্ধ ট্রাস্টের সভাপতি রিপন চাকমা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ইলিপন চাকমা, বৌদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের উপদেষ্টা, এডভোকেট ডা. মো. ইদ্রিস ভূঁইয়া।
বনভান্তের অমৃতময় বাণীর উদ্ধৃতি দিয়ে পুণ্যার্থীদের মাঝে ধর্মদেশনা দেন, রতœাংকুর বনবিহারের বিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ বিশুদ্ধানন্দ মহাস্থবির, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের অধ্যাপক ভদন্ত শ্রীমৎ জিনবোধি মহাস্থবির, রাজবন বিহারের আবাসিক সিনিয়র ভিক্ষু ভদন্ত জ্ঞানপ্রিয় মহাস্থবির, বেনুবন অরণ্য কুটিরের বিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ পন্থক মহাস্থবির।
