খাগড়াছড়ির রামগড় সীমান্ত নদী ফেনীর ওপর নির্মাণাধীন মৈত্রী সেতুর কাজ শেষ হলে বাংলাদেশ-ভারত স্থলবন্দরের কাঠামোগত উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান। এই সেতু নির্মাণে দু’দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার চিত্র পাল্টা দেবে বলেও তিনি আশব্যক্ত করেন।
শনিবার সকালে ওই সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের নৌমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, জেলা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলামসহ প্রশাসনিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
শাহজাহান খান বলেন, ফেনী নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজ শেষ হলে বাংলাদেশ অংশে সংযোগ সড়ক ও অন্যান্য কাজ শুরু হবে। কাজ শেষ হলে এই অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী স্থানীয় আওয়ামী লীগের আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন নৌমন্ত্রী। এর আগে নৌমন্ত্রী রামগড় পৌঁছুলে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপিসহ উপস্থিত অন্যরা।
নির্মিতব্য সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ৪১২ মিটার। এটি নির্মাণে খরচ হবে ২২৮.৬৯ কোটি ভারতীয় রুপি। ধারণা করা হচ্ছে ২০১৯ সালের মধ্যে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে। ২০১৫ সালের ৬ জুন ঢাকা সফরের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেনী নদীর ওপর রামগড়-সাবরুম মৈত্রী সেতু-১ এর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেন।
