বান্দরবানে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ৭০ হাজার শিশুকে। তবে দুর্গমতা ও ভাষাগত জটিলতার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারের ভিটামিন এ প্লাস কর্মসূচি শতভাগ বাস্তবায়ন করা যাচ্ছেনা বলে দাবী স্বাস্থ্য বিভাগের। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবান সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ভিটামিন এ প্লাস কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. রাজীব ঘোষ। এসময় অন্যন্যদের মধ্যে ডেন্টাল সার্জন ডা. রিপন দাশ, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা সাসুইচং মারমা, ইউনিসেফের জেলা পুষ্টি সহায়ক কর্মকর্তা ডা. অংচিং থোয়াই মারমা’সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. রাজীব ঘোষ বলেন, দুর্গম উপজেলাগুলোতে নানা সমস্যার কারণে কোনো বছরই ভিটামিন এপ্লাস কর্মসূচি শতভাগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়না। তবে সফলতার হার দিনদিন বাড়ছে। আগে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের সহায়তা নেওয়া হলেও গতকয়েক বছর ধরে স্বাস্থ্য কর্মীরাই এই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। বেসরকারি সংস্থাগুলোতে কর্মরত স্বাস্থ্য কর্মীদের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। এতে করে লক্ষ্যমাত্রা ও সফলতার হার আরো বাড়বে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবার বান্দরবানে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৮ হাজার ৫১১ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৬২ হাজার ৫৫১ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর প্রায় দেড় সহস্রাধিক কর্মী সহায়তা করবে। আগামী ৫ আগস্ট থেকে সারাদেশের মত বান্দরবানেও ভিটামিন এ প্লাস কর্মসূচি শুরু হবে।
