২৭ মে সকাল,বুধবার থেকে শুরু হওয়া ভারি বৃষ্টি ভয় ছড়িয়ে দিয়েছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে। জেলার বিভিন্নস্থানে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারি মানুষ ২০১৭ সালের ভয়াল অভিজ্ঞতার কারণে মনোটোনাস বৃষ্টিতে আঁতকে উঠেছে। সকালের বৃষ্টি বিকেল হতেই ক্রমশ: মিইয়ে আসলেও ভয় ঠিকই ছড়িয়ে দিয়েছে শহরে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করা হাজার হাজার মানুষের জীবনযাপনে।
তবে পুরোনো অভিজ্ঞতায়,বরাবরের মতোই প্রস্তুত রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যেই শুধুমাত্র শহরেই প্রস্তুত করা হয়েছে ২৯ টি আশ্রয়কেন্দ্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রের তালিকা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা। পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলো মনিটরিং এর দায়িত্ব ভাগ করে দেয়া হয়েছে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর(এনডিসি) উত্তম কুমার দাশ জানিয়েছেন, ডিসি স্যারের নির্দেশে আমরা সব প্রস্তুতি শেষ করেছি। ইতোমধ্যেই শহরে প্রচারপত্র বিলি,মাইকিং,আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা,সংশ্লিষ্ট সবগুলো বিভাগের সাথে সমন্বয় করার কাজও শেষ। যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেদের করণীয় ঠিক করে প্রস্তুতি রেখেছি আমরা।’
তবে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসনের এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিজ উদ্যোগে সবাই জেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। ন্যুনতম ঝুঁকি জানলেই আশ্রয় কেন্দ্রে চলে আসতে হবে।’
২০১৭ সালের হৃদয় বিদারক ঘটনার কোন পুনরাবৃত্তি যেনো না ঘটে সেইজন্য সবধরণের প্রস্তুতিই সুচারুভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
এদিকে বুধবার সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে ভয় ছড়িয়ে পড়ছে শহরে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে মিলছে উদ্বেগ আর উৎকন্ঠার খবর। তবে বিকেল গড়াতে গড়াতে মিলছে কিছুটা স্বস্তির খবর। তবুও ভয় ঠিক কাটছে না। আবার বৃষ্টি এলো বলে !
ঝুঁকি এড়াতে ঠাইঁ নিতে হবে যেসব আশ্রয় কেন্দ্র-

