সাইফুল হাসান
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং আঘাত হানছে বাংলাদেশের উপকূলিয় অঞ্চলে। তাই এর প্রভাব পড়তে পারে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলেও। ভারি বৃষ্টিপাত হলে পাহাড় ধ্বসের আশঙ্খা রয়েছে। সেজন্য পার্বত্য জেলা রাঙামাটির পাহাড়ের পাদদেশে ঝঁকিপূর্ণ বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসন। সোমবার বিকাল তিনটা রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরী সভায় এ নিদের্শনা দেওয়া হয়।
এসময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পার্বত্য জেলা রাঙামাটি শহরের ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসকল ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জন্য ২২টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণ রয়েছে। এছাড়া মেডিকেল টীম, রেসপন্স টীম সহ জরুরী কন্টোল রুম খোলা হয়েছে। আরও জানানো হয়, কাপ্তাই হ্রদে টুরিস্ট বোর্ট সহ সকল প্রকার নৌযান আজ বিকাল ৫টা থেকে পরবর্তী নিদের্শ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া’র সভাপত্বি আর উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি, এনজিও, পৌর কাউন্সিলর সহ সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে রাঙামাটির পাহাড়ের পাদদেশে ঝঁকিপূর্ণ বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য শহর জুড়ে জেলা তথ্য অফিস মাইকিং করে সর্তকতা প্রচার করছে।
