১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পাকুয়াখালীতে ৩৫ কাঠুরিয়াকে হত্যার ২২তম বর্ষপূর্তিতে শোকসভা এবং বস্ত্র বিতরণ করেছে কয়েকটি সংগঠন।
রোববার লংগদু উপজেলা সদরে নিহত কাঠুরিয়াদের স্মৃতিস্তম্ভের সামনে সড়কে এ শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন লংগদু উপজেলা শাখার সভাপতি খলিলুর রহমান খান’র সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন লংগদু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন, ভাইস-চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন, সম-অধিকার আন্দোলন রাঙামাটি জেলা সভাপতি হাজী মোহাম্মদ ইউনুস, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কামাল, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের রাঙামাটি জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সম-অধিকার আন্দোলনের সহ-সভাপতি নাজিরউজ্জামান, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের লংগদু উপজেলা শাখার আহবায়ক মোশারফ হোসেন, বাঙালি ছাত্র পরিষদ লংগদু শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারন সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, ‘৩৫ কাঠুরিয়া হত্যার ২২ বছর পেরিয়ে গেলেও হত্যাকারীদের এখনও গ্রেফতার করে আইনের মুখোমুখি করা হয়নি। এমনকি নিহতদের পরিবারগুলোকে পুর্নবাসনের কোনো ব্যবস্থা করেনি সরকার। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই অবিলম্বে পার্বত্য অঞ্চলের সকল হত্যাকান্ডের বিচার করা হোক।’
উপজেলা চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যার বিচার আমরা পাইনি। সরকার যদি এ হত্যাকান্ডের বিচার করতো তবে পাহাড়ে প্রতিনিয়ত এমন হত্যাকান্ড ঘটতো না। আমি সরকারের কাছে দাবি জানাই অবৈধ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হোক। যতদিন পর্যন্ত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা যাবেনা, ততদিন মানুষের মাঝে শান্তি ফিরে আসবে না।
পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় শোকসভা শেষে নিহত ৩৫ কাঠুরিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং নিহত পরিবারের সদস্যদের মাঝে বস্ত্র বিতরন করা হয়।
