খালি নেই তেমন কোন দেয়াল কিংবা দোকানের সাটারও। সমবায় বিধিমালার আচরণবিধি তোয়াক্কা না করেই এবার প্রার্থীরা চালিয়েছেন তাদের নির্বাচনি প্রচার প্রচারণার কাজ। বৃহস্পতিবার রাঙামাটি আসবাবপত্র ব্যবসায়ী কল্যাণ বহুমুখী সববায় সমিতির নির্বাচন। ষষ্ঠ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ৩২৬ ভোটার নির্বাচিত করবেন ২৬ জন পদপ্রার্থীর মধ্যে ১০ জনকে।
সমিতির নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানা যায়, এই নির্বাচনকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকেই শহরের কাঁঠালিতলিতে সমিতির নিজ কার্য্যালয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে মোট ২৬ জনকে পদপ্রার্থী লড়ছেন ১০ পদে। নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষ হবে বিকেল চারটায়।
এরমধ্যে সভাপতি পদে লড়ছেন ৪ জন এদের মধ্যে হাজি মো. কামাল উদ্দিন লড়ছেন তালাচাবি প্রতীকে, আব্দুল করিম বালি লড়ছেন হারিকেন প্রতীকে,আমিনুল ইসলাম শামিম লড়ছেন চেয়ার প্রতীকে, লেহাছ উদ্দিন সরকার লড়ছেন ছাতা প্রতীকে। সহ-সভাপতি পদে ৩ জন, এদের মধ্যে সাইদুল হক মৃধা টেবিল প্রতীক,মোহাম্মদ আলী মাছ প্রতীক, সামসুল ইসলাম হাতি প্রতীকে। সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন ২ জন, এদের মধ্যে মো. মহিউদ্দিন পেয়ারু লড়ছেন আনারস প্রতীকে (বর্তমান সাধারণ সম্পাদক) আবদুল শুক্কুর গোলাপফুল প্রতীকে। যুগ্ম সম্পাদক পদে লড়ছেন ২ জন। এদের মধ্যে কলসি প্রতীকে লড়ছেন মো. আব্দুল খালেক, দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে লড়ছেন মো. আলফাতুর রহমান (রোমান)। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে লড়ছেন ২ জন। এদের মধ্যে বাই-সাইকেল প্রতীকে মো. সফিকুর ইসলাম খাঁ, কাপ পিরিচ প্রতীকে লড়ছেন এম হিরো তালুকদার। কোষাধ্যক্ষ পদে লড়ছেন ৩ জন, তার মধ্যে আক্তার হোসেন মই প্রতীকে, এমদাদ হোসেন হিরো হরিণ প্রতীকে, উত্তম কুমার দে প্রজাপতি প্রতীকে। এছাড়া বিনা-প্রতিদ্ব›িদ্বতায় দপ্তর সম্পাদক পদে জয়ী হয়ে আছেন মনির হোসেন। প্রচার সম্পাদক পদে লড়ছেন ২ জন। তার মধ্যে ঢোল প্রতীকে লড়ছেন মনির হোসেন আর বাঘ প্রতীকে মোঃ হাসান। ক্রীড়া সম্পাদক পদে ২ জন। এদের মো. আনোয়ার রজনীগন্ধা প্রতীকে আর মোহাম্মদ ইউছুপ বটগাছ প্রতীকে। ৩ জন সদস্যের আসনে লড়ছেন ৫ জন। এদের মধ্যে হাতুড়ি প্রতীকে রহমত উল্লাহ, টিয়াপাখি প্রতীকে বিল্লাল হোসেন সরকার, বল প্রতীকে মো. নাজিম ও কাঁঠাল প্রতীকে মো. নাজিম।
আসবাবপত্র ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন কমিশনার রবিউল ইসলাম রবি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯ নয়টা থেকেই ভোট গ্রহণ শুরু হবে, বিকেল চারটা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। সমবায় বিধিমালা মোতাবেক ২৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যে বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দপ্তর সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন ১ জন। বাকি ৯ জনের নির্বাচন চলছে।
বিধি-মালা না মেনে প্রচার প্রচারণা করায় বিষয়ে এই কমিশনার জানান, প্রার্থীদের বিধিমালা জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপরও তারা আচরণবিধি লংঘন করেছে; এই প্রেক্ষিতে তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নিজ উদ্যোগে পোস্টার তুলে ফেলতে হবে। অন্যথায় আমরা এই বিষয়ে আমরা আইনে পদক্ষেপ নিবো।

৩ Comments
পদে লড়াটা সংবাদ হলো অথচ দেওয়ালে পোষটার লাগিয়ে শহরের সোনদয নষট করনে সংবাদ হয়না.
গতকালের পার্বত্য চট্টগ্রাম দেখেন…..
জাতীয় নির্বাচনে দেয়ালে পোষ্টার লাগানো নিষেধ অথচ সমিতির নির্বাচনে সারা শহরের দেয়ালে পোষ্টার লাগালো কেউ কিছু বলছেনা।