খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি॥
খাগড়াছড়িতে নিজ কার্যালয়ে এক প্রধান শিক্ষিকাকে পেটালেন সদর উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার সুপায়ন খীসা। ঘটনার পর আহত শিক্ষিকা মৌসুমী ত্রিপুরা(৪৪) ত্রিপুরাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জেলার শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। মৌসুমী ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি সদরের মহালছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৌসুমী ত্রিপুরা জানান, সকালে বিদ্যালয়ের ভাঙ্গা গেইট মেরামতের আবেদন নিয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসার সুপায়ন খীসার কার্যালয় যায়। দীর্ঘ সময়েও তিনি আমার বিষয়টি নিয়ে কথা না বলায় তাঁর হাত ধরে দৃষ্টি আকর্ষন করি। এসময় ক্ষুব্ধ হয়ে আমার উপর অতর্কিতভাবে কিল ঘুষি মারতে থাকে। পরে অফিসের অন্যরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। তিনি সুপায়ন খীসাকে নিজের স্বামী বলে দাবী করেন। খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মিথিলা বড়ুয়া বলেন, রোগীর(মৌসুমী ত্রিপুরা) বাম চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন আছে। সেখানে দুইটা সেলাই দেয়া হয়েছে। এছাড়া উনার মাথায় ব্যাথা আছে। আমরা উনাকে ভর্তি করেছি। সহকারি শিক্ষা অফিসার সুপায়ন খীসা বলেন, তিনি অফিসে এসে আমার হাত-গলা ধরে দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করেন। এসময় তাকে আমি অপেশাদার আচরণ করতে বারণ করি। এই নিয়ে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কিতে তিনি দরজায় আঘাত পান। অন্যদিকে মৌসুমী ত্রিপুরা তাকে নিজের স্বামী দাবী করলেও সুপায়ন খীসা বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এই বিষয়ে খাগড়াছড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন বলেন, এই ঘটনায় যে জড়িত থাকবে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
