নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি ॥
মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা উপজেলা পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ছাত্রলীগের সম্মেলন বুধবার। সম্মেলনে ঘোষণা করা হবে নতুন নেতৃত্ব। গেল শুক্রবার সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পরই নড়েসড়ে বসে নেতৃত্বে আসতে চাওয়া কর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে ব্যাপক প্রচারণা দেখা যায় পক্ষের নেতাকে নিয়ে। সম্মেলনকে ঘিরে তাদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য সভাপতি-সম্পাদকদের ছবি সম্বলিত ব্যানারে ছেঁয়ে গেছে উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে। তবে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী বা সনাতন ধর্মীয় কোন নেতৃত্ব উঠে না আসায় অনেকেই আক্ষেপ করতে দেখা যায়।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম জানান, গত ২০১৯ সালের ১৩ জুন তিন বছর মেয়াদী উপজেলা ছাত্রলীগের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয় এবং ২০২২ সালেল জুন মাসে কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। এরপর দেশে ভয়াবহ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে গিয়ে ছাত্রলীগের সম্মেলন কালক্ষেপণ হয়েছে। আগামীতে বিভিন্ন আন্দোলন মোকাবেলা এবং সংগঠনকে গতিশীল করতে নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজন। বর্তমান কমিটিতে অনেকের চাকুরী, ছাত্রত্বহীন, প্রবাসে চলে যাওয়া এবং বিবাহিত হওয়ায় জেলার সভাপতি-সম্পাদকসহ আওয়ামীলীগের নীতিনির্ধারকরা বসে সময় এবং তারিখ নির্ধারণ করে ছাত্রলীগ সম্মেলন ঘোষণা দেন ৭ সেপ্টেম্বর বুধবার।
সূত্র জানায়, এবার সম্মেলনকে সামনে রেখে জেলা আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড থেকে কয়েক জন নেতাকে নেতৃত্ব বাছাইয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে নির্ভযোগ্য একটি সূত্রে জানান। যারা নেতৃত্বের যোগ্যতায় এগিয়ে থাকবে তারা শীর্ষ পদ পাবে। সে ক্ষেত্রে একাডেমিক ও সাংগঠনিক যোগ্যতা, মেধা সম্পন্ন দক্ষ, শিক্ষার্থী বান্ধব এবং দলের প্রতি নিবেদিতরাই এ পদে আসবেন। বিতর্কিতরা যেন এ গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হতে না পারে সে বিষয়ে তাগিদ রয়েছে জেলা নেতাদের।
জানা যায়, সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে ফরম সংগ্রহ করেছেন সর্বমোট ৩০জন। তৎমধ্যে সভাপতি পদে ১০ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ২০ জন। তবে সভাপতি পদের ১জন সরকারী চাকুরী হওয়ায় তার ফরম বাতিল বলে গণ্য করা হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সভাপতি বদর উল্লাহ বিন্দু বলেন, যারা যোগ্য, মেধাবি, নিয়মিত ছাত্র, ভালো সংগঠক তারাই নেতৃত্বে আসবে। এছাড়াও যারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবে, শেখ হাসিনার ভিশনকে বাস্তবায়ন করতে পারবে এবং আগামী দিনের যে কোনো দুঃসময় মোকাবেলা করতে পার্বত্য মন্ত্রীর বীর বাহাদুর এমপির ভ্যানগার্ড হিসেবে নির্বাচনে নিরলস ভাবে কাজ করতে পারবে এমন যোগ্যতা সম্পন্নরা নেতৃত্বে আসবে।
