জিয়াউল জিয়া
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে রাঙামাটিতে উদযাপিত হয়েছে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা (বৈশাখী পূর্ণিমা)।
এ উপলক্ষে শহরেরর ভেদভেদী শংঘরাম বৌদ্ধ বিহারসহ জেলার বিভিন্ন বৌদ্ধ মন্দিরে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়।শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বুদ্ধ পুর্ণিমার আনুষ্ঠানিকতা।
তথাগত ভগবান মহামতি গৌতম বুদ্ধের ত্রিস্মৃতি বিজরিত এই পূর্ণিমা তিথি বৌদ্ধদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যবহ। এদিন মহামানব গৌতম বুদ্ধ জন্ম, বুদ্ধত্ব ও মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। এ উপলক্ষে রাঙামাটি বিহারেগুলোতে ধর্মীয় শোভাযাত্রা, বুদ্ধপূজা, পিন্ডদান, প্রাতঃরাশ, পঞ্চশীল গ্রহণ, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, বুদ্ধমূর্তি দান, প্রদীপ পূজাসহ দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এতে সমাগম ঘটে হাজারো পুণ্যার্থীর।
ভেদভেদী শংঘরাম বৌদ্ধ বিহারে অনুষ্ঠিত ধর্মীয় সভায় ভদভেদী শংঘরাম বৌদ্ধ বিহার প্রধান জানান শ্রদ্ধালংকর মহাথেরসহ অন্য ভান্তেরা পুণ্যার্থীদের মাঝে ধর্মীয় দেশনা দেন। এ সময় রাজবন বিহার উপাসক-উপাসিকা পরিষদের সভাপতি গৌতম দেওয়ান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরীসহ দায়ক-দায়িকারা উপস্থিত ছিলেন।
করোনা মহামারীর কারনে দুই বছর পর আবারো বর্ণিলভাবে বুদ্ধ পুর্ণিমা আয়োজন করতে পারাত সন্তুষ্ঠির পাশাপাশি ভগবান বুদ্ধের কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পৃথিবীর সকল প্রাণী সুখে থাকার পাশাপাশি করোনা মহামারী পৃথিবী থেকে ধংস হবার প্রার্থনা করছে পুণ্যার্থীরা।
বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের মতে এইদিনে গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্বলাভ ও মহা পরিনির্বাণ লাভ করায় ত্রি-স্মৃতি বিজড়িত দিনটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে খুবই গুরত্বপূর্ণ ও পুণ্যময়।
ভেদভেদী শংঘরাম বৌদ্ধ বিহার প্রধান জানান শ্রদ্ধালংকর মহাথের জানান, তথাগত ভগবান মহামতি গৌতম বুদ্ধের ত্রিস্মৃতি বিজরিত এই পূর্ণিমা তিথি বৌদ্ধদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যবহ। এদিন মহামানব গৌতম বুদ্ধ জন্ম, বুদ্ধত্ব ও মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। এই তিনটা ঘটনার মাধ্যমে আমরা এই শিক্ষা পেতে পারি এই পৃথিবীতে একজন মহাপুরুষের আবির্ভব প্রয়োজন, ওনার জ্ঞান লাভ করার জন্য সাধনা প্রয়োজন, পৃথিবীতে যতই মহাপুরুষ হন না কেন ওনাকে একদিন মৃত্যু বরণ করতে হবে।
