জিয়াউল জিয়া
খাদ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাঙামাটির সাংসদ দীপংকর তালুকদার বলেছেন, ‘আজ ঢাকায় সন্তু লারমার চুক্তি নিয়ে অনুষ্ঠানের কথা শুনেছি। সেখানে আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে উনি আমন্ত্রণ জানাননি। বিভিন্ন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতদের নিমন্ত্রণ করেছেন। দূতাবাসের মাধ্যমে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।’
বৃহস্পতিবার সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির দুই যুগপূর্তি উপলক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। এদিন রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে শান্তির প্রতীক পায়রা ও নৃত্যের মাধ্যমে বর্ষপূর্তির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার মীর মোদ্দাছ্ছের।
সভায় দীপংকর বলেন, ‘অস্ত্রের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে না। যদি অস্ত্রের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হতো তাহলে তাদের শান্তি চুক্তি করতেন না। শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন করবে আওয়ামী লীগ আর আপনি আওয়ামী লীগকেই নিশ্চিহ্ন করতে চান। এই পরিবেশটা নষ্ট করার দায় কি সরকারের? বিভিন্ন সময় জনসংহতি নেতা অভিযোগ করেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলার পর মামলা হচ্ছে। আপনারা মানুষ মারবেন, চাঁদাবাজি করবেন আর আমরা বিচার চাইতে পারব না?’
এসময় বক্তারা বলেন, ‘শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নের দুয়ার খুলে যায়। বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতায় দুর্গম পাহাড়েও শিক্ষা, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য সবক্ষেত্রে উন্নয়ন হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শি নেতৃত্বের গুণে হানাহানিমুক্ত পার্বত্য অঞ্চল গঠন করা সম্ভব হয়েছে।’
