হেফাজত সবুজ
রাঙামাটিতে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিরার জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় রাঙামাটি অঞ্চলের উপপরিচালক মোঃ নাছিম হায়দারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষ্ণ প্রসাদ মল্লিক, চট্টগ্রাম অঞ্চলে অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মোফাজ্জল করিমসহ গবেষকগণ বক্তব্য রাখেন।
কর্মশালায় কী-নোট উপস্থাপন করেন তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ জসিম উদ্দিন।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, প্রধান মন্ত্রীর ঘোষণা দেশের এক ইঞ্চি মাটি অনাবাদি থাকবে না, এমন ঘোষনা ও সকল প্রকার খাদ্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষে এনম কর্মসূচি গ্রহন করেছে কৃষি বিভাগ। বর্তমানে দেশে যে পরিমান ভূমিতে তেল জাতীয় ফসল উৎপাদিত হয় তার থেকে আরো ১৫-২০ শতাংশ অধিক ভুমিতে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে। বক্তারা আরও বলেন, দেশের তেল জাতীয় পণ্যর আমদানী হ্রাস করার মাধ্যমে রিজার্ভ বৃদ্ধি করতে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে ১৫০০ কোটি টাকার আমদানি ব্যয় হ্রাস করা, নিরাপদ ও পুষ্টি সমৃদ্ধ তেল উৎপাদন করার জন্য এমন পরিকল্পনা থেকেই সারা দেশে এমন কর্মশালার মাধ্যমে স্থাণীয় কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি করাই মূল উদ্দেশ্য।
কর্মশালায় রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে তেল জাতীয় ফসলের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। 
এসময় বক্তারা বলেন কর্মশালায় যে সকল পরামর্শ ও প্রস্তাবনা এসেছে তা এই দুইটি অঞ্চলের তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বক্তারা আরো বলেন রাঙামাটির যে সকল জায়গা এখনো পতিত রয়েছে সেগুলোকে চাষের আওতায় আনতে হবে বিশেষ করে পাহাতে তিল চাষ করা হয়, উৎপাদনো মোটামুটি ভাল। এই তিল চাষের ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ উন্নতমানে বীজের মাধ্যমে অধিক উৎপাদন করতেরকাজ করবে, এছাড়া সরিষা আবাদও বৃদ্ধি করতে কৃষকদের উৎসাহিত করা হবে। আর চট্টগ্রমা অঞ্চলের জন্য রবিশষ্য চাষ বাড়াতেও কাজ করতে হবে। যাতে ধীরে ধীরে দেশে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদ বাড়ে।
বক্তারা বলেন এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষককে প্রদর্শনী প্লট দেয়া হবে, যেখানে কৃষক বিনামূল্য বীজ, সারসহ সকল উপকরণ পাবেন।
কর্মশালয় রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষক, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, গবেষকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রায় দুইশ লোক অংশগ্রহন করেন।
