রাঙামাটির লংগদু উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তিনটিলা বনবিহারে পরমপূজ্যপদ শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভান্তে) প্রতিষ্ঠিত শিষ্য সংঘের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঁচ ধাপে ১৪০ জন ধর্মানুরাগী গণশ্রমন হয়ে রং কাপড় ধারণ করেছে। তিনটিলা বিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমত ধর্মালোক স্থবিরসহ গণশ্রমনরা শুক্রবার(৬ নভেম্বর) সকালে লংগদু ইউপি চেয়ারম্যান কুলিন মিত্র চাকমার বাড়ি হতে পিন্ডদান গ্রহণ করেন।
১৯৭০ সালে রাঙামাটির লংগদু উপজেলা সদরে ‘তিনটিলা বনবিহার’ প্রতিষ্ঠা করেন শ্রীমত সাধনানন্দ মহাস্থবির(বনভান্তে)। ১৯৭৩ সালে এই বিহার থেকে বিশাখা প্রবর্তিত কঠিন চীবরদানের প্রচলন শুরু করেন (বনভান্তে)। যা বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ধারণা করা হয় তিনটিলা বিহারে অবস্থানকালীন সময়ে বনভান্তে ‘অরহত’ লাভ করেন। এরপর ১৯৭৬ সালে তিনি রাঙামাটির রাজবন বিহারে চলে যান। এবং ২০১২ সালের ৩০ জানুয়ারি তার জীবনাবসানের আগ পর্যন্ত এই বিহারে অবস্থান করেন।
তিনটিলা বনবিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ধর্মালোক স্থবির বলেন, বৌদ্ধ ধর্মীয় আধ্যাত্মিক গুরু শ্রীমত সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভান্তে) আমাদের পরমপূজ্যপদ। গত ৩১ অক্টোবর তাঁর শিষ্য সংঘের ৫০ বছর পূর্তি সম্পন্ন হয়। এ উপলক্ষে তিনটিলা বনবিহারে ১৪০ জন গণশ্রমন হয়ে রং কাপড় ধারণ করেন।
