ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ ভিসির সাথে দেখা করতে যাওয়ার সময় ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে রাঙামাটিতে তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদল।
রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতা অলি আহাদের নেতৃত্বে তাৎক্ষনিক ঝটিকা মিছিলটি জেলা বিএনপি কার্যালয় চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিন করে ফের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেনও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা অলিআহাদ, গালিব,জনি, ইমরান,তুহিন সহ ছাত্রদল নেতারা। তারা অভিযোগ করেন, এই সরকার মানুষের কথা বলার স্বাধীনতাও কেড়ে নিয়েছে। দেশের সবচে ঐতিহ্যবাহি বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা উস্কানিতে যে গুন্ডামি করেছে ছাত্রলীগ,সময়ে তার সমূচিত জবাব দেয়া হবে।
তারা অবিলম্বে এই হামলার ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন।
এর আগে সংগঠনের নতুন কমিটি নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকতে গিয়ে বেধড়ক মারধরের শিকার হয়েছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।
মঙ্গলবার বিকালে সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের কাছে নীলক্ষেত মোড়ে তারা মারধরের শিকার হন।
হামলায় অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে জানিয়ে ছাত্রদলের নেতারা বলছেন, ছাত্রলীগ সংগঠিতভাবে এই হামলা চালিয়েছেন।
হামলায় আহতরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল আমিনুল, মো. মাসুম বিল্লাহ, ফারহান মো. আরিফুর রহমান, মো. নাছির উদ্দীন শাওন, মো. রাজু আহমেদ, সুপ্রিয় দাশ শান্ত, নাজমুস সাকিব, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুন্সি সোহাগ, প্রচার সম্পাদক ইমাম আল নাসের মিশুক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জসিম খান, বিজয় একাত্তর হলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি সাইফ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকিব জাভেদ রাফি, কবি জসিমউদ্দিন হল ছাত্রদলের কর্মী জোসেফ আল জুবায়ের।
তবে ছাত্রলীগের নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে তারা হামলার শিকার হয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী বলছেন, আসলে কী ঘটেছে, তা তারা খতিয়ে দেখবেন।
