জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠে প্রকাশিত রাঙামাটি সদর হাসপাতাল এর স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে তিন পর্বের ধারাবাহিক রিপোর্টের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এক জরুরী সভা করেছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমার সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য বিভাগের এই সভায় রাঙামাটি হাসপাতালকে আরো জনবান্ধব ও এর সমস্যাগুলো সমাধানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়। এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, আগামী একমাসের মধ্যে হাসপাতালের ফাটল ধরা বর্তমান ভবনের মহিলা ও শিশু ওয়ার্ডের বিষয়ে বুয়েট পরীক্ষার রিপোর্ট সংগ্রহ করে সেটা নেতিবাচক আসলে, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল না হওয়া পর্যন্ত সময়ের জন্য স্বল্পতম সময়ের মধ্যে বর্তমান হাসপাতালের সামনের খালি জায়গায় একটি টিনশেড মহিলা ওয়ার্ড নির্মাণ করা হবে,মেডিক্যাল কলেজের বিশেষজ্ঞ প্রফেসররা যেনো হাসপাতালে নিয়মিত রোগি দেখেন সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে,জরুরী বিভাগে একজন চিকিৎসকের টানা ২৪ ঘন্টা চিকিৎসা দেয়ার বর্তমান রোস্টার পরিবর্তন করা হবে,চিকিৎসক এবং কর্মচারিরা যেনো ঠিক আটটায় হাসপাতালে চলে আসেন সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে যে কর্মচারি নিয়োগ দিয়েছে তার শূণ্য পদটি অচিরেই পূরণ করা হবে।
জরুরী এই সভায় রাঙামাটি জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য বিভাগের আহ্বায়ক হাজী মুছা মাতব্ব, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ছাদেক আহমেদ, সিভিল সার্জন ডা: শহীদ তালুকদার,আবাসিক চিকিৎসক (ভারপ্রাপ্ত) ডা: মংক্য চিং মারমা সাগর,জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের আহ্বায়ক মুছা মাতব্বর জানিয়েছেন, কালের কন্ঠে প্রকাশিত রিপোর্টের কারণেই আমরা জরুরী সভায় মিলিত হই এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আসলে প্রতিবেদনটি আসার আগে আমরাও জানতামনা যে হাসপাতালে এতো সমস্যা আছে।
রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা: শহীদ তালুকদার কালের কন্ঠকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনাদের লেখালেখির কারণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হলো,আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং জেলা পরিষদকেও ধন্যবাদ জানচ্ছি।
সভা শেষে জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য বিভাগের আহ্বায়ক মুছা মাতব্বর কালের কন্ঠের প্রতিবেদন প্রকাশকালে দেয়া আশ্বাসের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক একটি ৮ ওয়াটের জেনারেটর ক্রয় করে হাসপাতাল প্রদান কনতে এই প্রতিবেদককে সহ নিয়ে যান। এসময় সিভিল সার্জন,আবাসিক চিকিৎসকসহ হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা,কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় মুছা মাতব্বর দৈনিক কালের কন্ঠের প্রতিবেদনের কারণেই এই জেনারেটরটি দিয়েছেন বলে জানান । এই সময় সিভিল সার্জন জানান,স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আজই (বৃস্পতিবার) জানানো হয়েছে,রাঙামাটি হাসপাতালকে একটি আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন দেয়া হবে। তিনি কালের কন্ঠকে ধন্যবাদ জানিয়ে হাসপাতালের উন্নয়নে পাশে থাকার অনুরোধ জানান।

৬ Comments
ভালো
কাজে আসবে না, দেখবেন আপারেটর আছে তো ফুয়েল নাই, ফুয়েল আছে তো অপারেটর নাই। আর যখন দুটোই থাকবে তখন দেখবেন জেনারেটরটি খারাপ।
এগুলো ক্ষনিকের জন্য। কালকে নষ্ট হয়ে যাবে। এগুলো দরকার
ডাকতারের বাসায় লাগবে
প্রতিদিন ১০/২০ লিটার ফুয়েলের বিল করা হবে ঠিক কিন্তু রোগীরা এর সুবিধা পাবে না, চুরি করার আরো একটা দরজা খুলে গেলো।
তেল থাকবে তো