‘যারা চাঁদাবাজি করছে, খুন করছে, অযথা রক্তপাত করছে তাদের ভয়ংকর দিন আসছে’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে কোনও জায়গায় গিয়ে রেহাই পাবেন না, সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। পাহাড়ে আরও কোনও রক্তপাত চাই না।’
তিনি আরো বলেন, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী অনেক শক্তিশালী। আমরা যেকোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম। আমরা ধৈর্য ধরে সঙ্কট মোবাবেলা করছি বলে মনে করবেন না আমাদের সক্ষমতা নেই।
পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির সাংসদ দীপংকর তালুকদার, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সান্ত¦না চাকমা, পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ডিজিএফআই মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদিন, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাফিন আহমেদ, র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহুল ইসলাম, পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুদত্ত চাকমা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আব্দুল মান্নান, চট্টগ্রাম সেনবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এসএম মতিউর রহমান, বিজিবি’র চট্টগ্রার রেঞ্জের রিজিয়ন কমান্ডার আমিনুর রহমান শিকদার, চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমাসহ তিন পার্বত্য জেলার রিজিয়ন কমান্ডার, তিন পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক, তিন পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার, তিন পার্বত্য জেলার বিজিবি অধিনায়ক, তিন পার্বত্য জেলার ডিজিএফআই অধিনায়কসহ তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ।
সকাল এগারোটায় এই আলোচনা সভা শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে তিনটায় এই সভা শেষ হয়।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যায়ও রাঙামাটিতে তিন পার্বত্য জেলার আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভাটিও দীর্ঘ চার ঘন্টা ধরে চলে।
