ঘূর্ণিঝড় আম্পান এর কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জুরাছড়ি উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রস্তুতির বিষয় নিজেদের ফেসবুক পেইজে তুলে ধরা হয় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
পেইজটিতে জানানো হয় উপজেলায় সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। দূর্যোগ মোকাবেলায় ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নেতৃত্বে ২ টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ঔষধ মজুদ রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুদ আছে।
এছাড়াও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য ও দুর্যোগে অন্যান্য সহায়তার জন্য জুরাছড়ি থানার পুলিশ, আনসার ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ, স্বেচ্ছাসবক প্রস্তুত আছে।
তারি সাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশের সাথে যোগাযোগ হয়েছে। তাঁরা জুরাছড়ি উপজেলা প্রশাসনকে যেকোন ধরনের সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত আছে।
পেজটিতে আরো জানানো হয়, যারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসবেন তারা সবাই মাস্ক ব্যবহার করবেন এবং আশ্রয়কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব (কমপক্ষে এক মিটার দূরত্ব) বজায় রেখে অবস্থান করবেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানানো হয় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
মঙ্গলবার সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের (নেজারত) ডেপুটি কালেক্টর উত্তম কুমার দাশ জানিয়েছেন, দূর্যোগ মোকাবিলায় শহরে ২১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত আছে, প্রয়োজনে সেগুলো খুলে দেওয়া হবে।
