ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই ॥
এখনোও বেশ জমে উঠেনি কাপ্তাইয়ের একমাত্র কোরবানি পশুর হাট নতুনবাজার আনন্দ মেলা মাঠ। গত রবিবার হতে এই মাঠে পশুর হাট বসেছে। ক্রেতার অভাবে অনেক গরু বিক্রেতা অলস সময় পার করছেন। তবে যে কজন ক্রেতা হাটে এসেছে তাঁরা জানান, এই বছর পশুর দাম একটু বেশি। শুক্রবার সকালে হাটে গিয়ে দেখা যায়, দুর্গম বিলাইছড়িসহ কাপ্তাইয়ের আশপাশে অনেক এলাকা হতে বোট যোগে বেপারিরা পাহাড়ি গরু বিক্রি করতে নিয়ে এসেছেন।
গরু বেপারি আবুল কালাম, সোলাইমান বলেন, এই বছর দেশি গরুর চাহিদা বিশেষ করে পাহাড়ি গরুর চাহিদা বেশি থাকায় দাম একটু বেশি। দাম বেশি কেন জানতে চাইলে তিনি জানান, লকডাউনের ফলে বাজারে প্রয়োজনের তুলনায় গরু কম এসেছে, এইছাড়া এবার পরিবহন খরচ অতিরিক্ত হওয়ায় দাম একটু বেশি হবে বলে তাঁরা জানান।
কাপ্তাইয়ের এই নতুনবাজার আনন্দ মেলাঘাট পশু বাজারে কাপ্তাইসহ এর আশেপাশে অনেক উপজেলা হতে লোকজন আসেন পশু ক্রয় করতে। এইসময় হাটে গরু কিনতে আসা রাঙ্গুনিয়ার আব্দুল খালেক জানান, পাহাড়ি গরুর কদর বেশি। এই গরুগুলো সব সময় পাহাড়ে জঙ্গলে থাকে প্রাকৃতিক খাবার খায়। খুব হৃষ্ট-পুষ্ট হয়ে থাকে। কোন প্রকার মোটাতাজাকরণ ইনজেকশন ব্যবহার করা হয় না বলে এই সব গরুর চাহিদা বেশি থাকে বলে তিনি জানান।
কাপ্তাই নতুনবাজার আনন্দ মেলা ঘাট ইজারদার মো. মনির জানান, অন্য বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম বেশ চড়া। এখন একটু বেচাবিক্রি কম, তবে আগামি শনি কিংবা রবিবার হাটে লোকজনের সমাগম বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
এদিকে কাপ্তাইয়ের একমাত্র পশুর হাটে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বেচাকেনা করতে কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ হতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে বলে জানান, নতুনবাজার বনিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক।
