মৃন্ময়ী মাকে চিন্ময়ী রূপে পাওয়ার আহ্বানে আজ ২৬ সেপ্টেম্বর দেবী দুর্গার বোধনের মধ্যে দিয়ে শুরু হচ্ছে পুজার আনুষ্ঠানিকতা এবং ৩০ সেপ্টেম্বর বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে শেষ হবে সনাতনী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এবার মা দুর্গার আগমন ঘটবে নৌকায়। যার ফলে শস্য, ধন এবং জলে পূর্ণ থাকবে বসুন্ধরা এবং দেবী দুর্গার গমন হবে ঘোটকে, যার ফলে ঝড় তুফান জল্লোচ্ছাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
কাপ্তাই উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য জানান, এইবছর কাপ্তাইয়ে সাতটি পূজা মন্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। পুজামন্ডপ গুলো হল, রাইখালি ত্রিপুরা সুন্দরী কালি বাড়ী, চন্দ্রঘোনা মিশন এলাকা আদি নারায়ণ বৈদান্তিক গীতা মন্ডপ, মিশন এলাকা সিদ্বেশ্বরী কালি বাড়ী, কেপিএম কয়লার ডিপু হরি মন্দির, শিলছড়ি দুর্গা মন্দির, কাপ্তাই জয়কালি মন্দির এবং কাপ্তাই প্রজেক্ট এলাকায় ব্রিকফিল্ড মাতৃমন্দির। প্রতিবছরের ন্যায় বিজয়া দশমীর দিন কর্ণফুলী নদীতে নৌ রেলীর মাধ্যমে প্রতিমা বির্সজন করা হবে এবং অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিজয়া র্যালিতে প্রধান অতিথি থাকবেন সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার। শরৎকালের এ দুর্গাৎসব যেন শান্তি, সুখ, সমৃদ্ধি এবং মৈত্রীর বার্তা বয়ে আনে মায়ের কাছে ভক্তবৃন্দ সেই প্রার্থনা জানাচ্ছেন।
