খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় করোনা ভাইরাসের উপর্সগ নিয়ে মারা গেলেন এক পোশাক শ্রমিক। শারমিন আক্তার নামে ঐ নারী চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়। প্রশাসনের নজরদারি ফাঁকি দিয়ে ৬ দিন আগে তিনি চট্টগ্রাম থেকে মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে আসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রতন খীসা।
তিনি জানান, মৃত পোশাক শ্রমিক জ্বর সর্দি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যাওয়ায় তার করোনা ছিল কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য মঙ্গলবার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
মানিকছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না মাহমুদ জানান, ঐ নারীর বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে এবং আশপাশের সবাইকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।
এদিকে খাগড়াছড়িতে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট সনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩০ জন। এদের মধ্যে এক পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বাকি ২৭ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৬জন পুরুষ এবং ৩ জন মহিলা এবং এদের মধ্যে একজন ১২ বছরের শিশুও রয়েছে। এ নিয়ে জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে মোট ৭ উপজেলায় করোনা শনাক্ত হল। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে দীঘিনালা ১জন, খাগড়াছড়ি সদর ৩ জন, মহালছড়ি ৩জন, মাটিরাঙ্গায় ১ জন ও পানছড়িতে ১জন।
খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন ডা. নুপুর কান্তি দাশ জানান, এদের মধ্যে ১ জন শিশু ও একজন স্বাস্থ্যকর্মীও রয়েছেন। তিনি সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
