করোনার মোকাবিলায় শহরবাসির পাশে থেকে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রাঙামাটি পৌরসভা। মহামারি করোনায় যখন পুরো দেশে ছুটি চলছে সাথে সামাজিক দুরত্বও। আর ঠিক সে সময়ই কোন ধরনের ছুটিভোগ ছাড়াই নিরলসভাবে করোনা মোবাবেলায় কাজ করে যাচ্ছে রাঙামাটি পৌরসভার সকল স্তরের কর্মীরা। রাঙামাটি পৌরসভা রীতিমত করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছে। করোনা মোকাবেলায় মেয়র, কাউন্সিলর ও পরিচ্ছন্ন কর্মী সহ সকলে ব্যস্ত সময় পার করছেন। শহরের ময়লা দ্রুততম সময়ে অপসারনে কর্মীরা যেমন কাজ করছে তেমনই তাদের মনিটরিং করা হচ্ছে। পৌরসভা শহরের বিভিন্ন স্পটে গাড়িতে স্প্রে করেছে, বিভিন্ন সড়কে জীবানু মুক্ত রাখতে ছিটানো হচ্ছে জীবনুনাশক পানি। শহরের অনেকগুলো স্থানে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী হাত ধোয়ার ড্রাম। 
পৌর এলাকার যেকোন প্রান্ত ঘুরে দেখলেই দেখা মিলছে পৌরসভার কর্মীদের। করোনা সংক্রান্ত লিফলেট বিলি করে দায়িত্ব শেষ করেননি রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র। সকল কাউন্সিলররা এলাকায় বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করেছেন। এমনকি কোন এলাকায় বিদেশ ফেরতের তথ্য পেলেই সে বাসায় হাজির হয়ে যাচ্ছেন পৌর কাউন্সিলরররা। শহরের এমন সংকট মুহুর্তে কাজ করার নেতৃত্বে আছেন পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী। যার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে পৌরসভার কর্মীরা। শুধুমাত্র পেশাগত কারনে নয় সামজিক দায়বদ্ধতার কারনে অনেক পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা না খেয়ে সারাদিন শহরকে পরিস্কার ও জীবানুমুক্ত করতে কাজ করছে। তাদের কাছে এ মুহুর্তে নিজ নয় শহর পরিচ্ছন্ন রাখাটাই মুল কাজ। অন্যদিকে অসহায় দুস্থ মানুষের জন্য চাল বিতরন করছে পৌরসভা। এছাড়া সামাজিকভাবে করোনা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখছে।
৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান বাবু বলেন, আমাদের চোখে ঘুম নাই। দিন রাত চেষ্টা করছি শহরকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে। আমাদের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা রাত দিন পরিশ্রম করছে। 
রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বলেন, কাউকে দেখানোর জন্য আমরা কাজ করি না। আমি, আমাদের কাউন্সিলর ও কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের যতটুকু সামর্থ্য সবটুকু দিয়েই পৌর নাগরিকদের জন্য করে যাবো। আমি সবার কাছে অনুরোধ করবো অনেক শ্রমজীবী মানুষ আছে যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। রাঙামাটি বিভিন্ন শ্রমজীবী সমিতি আছে তারা যদি নিজ নিজ সমিতির উদ্যোগে সদস্যদের সহায়তা করে তাহলে সংকট মোকাবিলা অনেক সহজ হবে।
