গত কদিনের কিছুটা আড়মোড়া নজরদারি ভেঙ্গে এবার বেশ কঠোরই হলো রাঙামাটির প্রশাসন। রবিবার বিকালে শহরের প্রত্যেক পয়েন্টেই যাকেই অপ্রয়োজনে পথে ঘাটে দেখা গেছে,তাদেরই ঝেটিয়ে ঘড়ে ঢুকিয়েছে তারা। কজনের শরীরে পিটুনি,কাউকে দাবড়ানি দিয়ে নিজেদের কঠোর অবস্থান পরিষ্কার করেছে তারা।
সন্ধ্যার পর রিজার্ভ বাজারে পুলিশের একটি টিম অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘরি না করে বাসায় চলে যাওয়ার জন্য জনসাধারণকে ঘরে চলে যাওয়ার জন্য বলে। তার কিছুক্ষণ পর বিপুল সংখ্যাক পুলিশের একটি টিম এসে জন্যসাধারণকে ঘরে চলে যেতে বলে এবং ওষুধের দোকান ছাড়া কাঁচাবাজারসহ অন্য সকল দোকান বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
একইভাবে শহরের তবলছড়ি,বনরূপা,কাঠালতলি,ভেদভেদী,কলেজ গেইটে তিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার দাশ,পল্লব হোম এবং মো: ইসলামউদ্দিনের নেতৃত্বে ফাঁকা করে ফেলা হয় শহরের পুরো সব পথঘাট। মুহুর্তেই ফাঁকা হয়ে যায় পুরো শহর। সন্ধ্যার পর সুনসান নীরব হয়ে যায় পার্বত্য শহর রাঙামাটি।
প্রশাসনের কঠোরতা মুুহুর্তেই টের পেয়ে ঘরমুখি হয়েছেন মানুষ। তবে বিকেলে জরুরী প্রয়োজনে বাজারমুখি হওয়া অনেকেই পড়েছেন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নেজারত ডেপুটি কালেক্টর উত্তম কুমার দাশ জানিয়েছেন, এতদিন ধরে আমরা এতোভাবে অনুরোধ ও বোঝানোর চেষ্টা করেও কাজ হয়নি। তাই সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে আমরা আরো কঠোর হতে বাধ্য হলাম। রাঙামাটিবাসির প্রতি বিনীত অনুরোধ, আপনারা ঘরে থাকুন,নিজেরা বাঁচুন,অন্যদের বাঁচতে সহায়তা করুন।
