‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাহাড়ি ভোটারদের জিম্মি করে, কেন্দ্র দখল করে জনসংহতি সমিতির নেতা উষাতন তালুকদার এমপি হয়েছেন। এবার আর অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জনগণকে জিম্মি করতে পারবেন না। এবার ভোট ডাকাতির সুযোগ পাবেন না।’ সোমবার রাঙামাটির লংগদু উপজেলার ভাঙ্গামুড়া এলাকায় এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ২৯৯ নং রাঙামাটি আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচন বয়কট করলেও রাঙামাটি আসনে জনসংহতি সমিতির প্রার্থীকে সমর্থন করে। নির্বাচনের আগে উষাতন তালুকদার বলেছিলেন; সুষম উন্নয়নের কথা কিন্তু এমপি হয়ে উন্নয়নতো দূরের কথা একটি ইট কোথাও বসাতে পারেনি। বরং অভিযোগ আছে মানুষকে চাকরি দেয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, চাকরী দিতে পারেনি। এমনকি ডিও লেটার দেয়ার ক্ষেত্রেও টাকা আদায় করেন তিনি। এখন জনসংহতি সমিতি বুঝতে পেরেছে, একে দিয়ে আর আগামী নির্বাচনে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়। এবং এটাও সত্য জনসংহতি সমিতি আর জয়ী হতে পারবেন না। কারণ আমাদের কর্মীরা জেগে উঠেছে। অতীতে যে মান অভিমান ছিলো, তা দূর করে সবাই এখন নৌকার পক্ষে একজোট হয়েছে। আগামী দিনে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, পাহাড়ের উন্নয়নে সরকার আন্তরিক। বর্তমানে লংগদু উপজেলার সকল ইউনিয়নে রাস্তাঘাট, ব্রিজ কালভার্ট ও বিদ্যুতের উন্নয়নের কাজ চলমান আছে। এছাড়াও উপজেলার একটি কলেজকে খুব শীঘ্রই জাতীয়করণ করা হবে। যে ঘোষণাটি এ সপ্তাহেই আপনারা জানতে পরবেন।’
উপজেলার আটারকছড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় ভাঙ্গামুড়া স্কুল মাঠে আয়োজিত সভায় আরও বক্তব্য দেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি হাজী কামাল উদ্দীন, সাবেক পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বারেক সরকার, সাধারণ সম্পাদক জানে আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা ফয়েজুল আজিম, শহিদুল ইসলাম, জালাল উদ্দীন মালেক, ইসমাঈল হোসেন, আমিনুল ইসলাম, জামাল উদ্দীন, সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
আটারকছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজনে এ সভায় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের একাধিক নেতা-নেত্রী ও ৫ শতাধিক কর্মী এবং স্থানীয় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
