নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি বলেছেন, শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাগুলো আগামীতে আর দুর্গম থাকবে না। তিনি বলেন, ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তৎকালীন সরকার বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেয়ার কথা থাকলেও দিতে পারেনি। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে দুর্গম এলাকায় যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাচ্ছে না, সেখানে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। আগামীতে কোন ঘর বিদ্যুৎ বিহীন থাকবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। বৃহস্পতিবার রাঙামাটির বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এক কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে রাঙামাটি এলজিইডি’র অর্থায়নে ভবনটি নির্মাণ করা হয়।
এসময় তিনি আরো বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সকল বিভাগে উন্নয়ন হয়েছে। নতুন নতুন রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার পাহাড়ের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন কর্মকান্ডকে সবসময় বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে পাহাড়ের অবৈধ অস্ত্রধারীরা। পাহাড়ের যেকোন উন্নয়ন কর্মকান্ডকে থমকে দেওয়ার জন্য লিপ্ত থাকে তারা। পাহাড়ের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসকল অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহুরার সভাপতিত্বে সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য হাজী কামাল উদ্দিন, সাবেক রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চিংকিউ রোয়াজা ও বৃষকেতু চাকমা, রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান মহসিন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বিপুল ত্রিপুরা, রাঙামাটি এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আবু তালেব চৌধুরী, বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বরুণ কান্তি চাকমা বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভা শেষে দুস্থ ও অসহায় ১০০পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও রাঙামাটি সদর উপজেলার আওতাধীন ৫নং বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দীপংকর তালুকদার এমপি। এছাড়াও তিনি ইউনিয়নে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিদর্শন করেন।
